সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ বালি উত্তোলনের সরঞ্জমাধি উদ্ধারউখিয়ার ডেইলপাড়া করইবনিয়া এলাকা ইয়াবার জোওয়ারে ভাসছেউখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা ডন মীর আহম্মদ অধরাহাজীর পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী মীর আহম্মদকে ধরিয়ে দিনউখিয়ার নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ…থাইংখালী বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মাটিবর্তী ডাম্পার গাড়ী আটকজালিয়া পালংয়ে ছিনতাইকারীদের হাতে নিঃশ্ব হলেন খামার ব্যবসায়ী – আহত…উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী আলী আকবর বিদেশী মদসহ আটকউখিয়ার মুছারখোলা বিট কর্মকর্তা আবছারের নেতৃত্বে পাহাড় কাটা ও বালি…

ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই এনামুল হকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ

download-1.jpg

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী উখিয়া ::

পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই এনামুল হকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই এনামুল হক তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করার পর থেকে সীমান্তবর্তী তুমব্রু, জলপাইতলী, বড়ইতলী, আমতলী ও ঘুমধুমসহ পার্শ্ববর্তী উখিয়া সীমান্তের পালংখালী, বালুখালী, থাইংখালী রহমতেরবিল, মোছারখোলা, ধামনখালী এলাকার চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারীদের সাথে গভীর সখ্যতা গড়ে তোলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে আরো বলেন, এস আই এনামুল হক দায়িত্ব চলাকালীন সময় নীল নকশা বাস্তবায়ন করার লক্ষে প্রায় সময় সিভিল পোষাকে টিভি র‌্যালী কেন্দ্র এলাকায় বিভিন্ন যান বাহনকে আটকিয়ে ফাঁড়িতে না নিয়ে ঘটনাস্থলেই হিসাব – নিকাশ শেষ করে বলে তারা জানান। শুধ তাই নয়, সম্প্রতি এস আই এনামুল হক একটি মামলা তদন্তে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা গ্রামের অং মেরিঙ্গা চাকমার ছেলে রামন চাইয়ং চাকমার বাড়ীতে গিয়ে মামলাটি তদন্ত করে আন – অর্থরাইজ অনুমান লিপি উখিয়া থানা বরাবরে প্রেরন করে নিজে ওসি উখিয়াকে অবহিত না করে
উক্ত পরিবারকে মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উল্লেখিত পরিবারের নিকট থেকে ৫০, হাজার টাকা চাঁদা আদায় করার অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগী রামন চাইয়ং চাকমা এস আই এনামুল হকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সে প্রতিবেদককে জানান।

অভিযুক্ত এস আই এনামুল হকের নিকট জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও টাকা আদায়ের কথা তিনি অস্বীকার করেন। এব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের এ ধরনের কথা আমি শোনেছি, অভিযোগ হাতে ফেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top