সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ বালি উত্তোলনের সরঞ্জমাধি উদ্ধারউখিয়ার ডেইলপাড়া করইবনিয়া এলাকা ইয়াবার জোওয়ারে ভাসছেউখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা ডন মীর আহম্মদ অধরাহাজীর পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী মীর আহম্মদকে ধরিয়ে দিনউখিয়ার নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ…থাইংখালী বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মাটিবর্তী ডাম্পার গাড়ী আটকজালিয়া পালংয়ে ছিনতাইকারীদের হাতে নিঃশ্ব হলেন খামার ব্যবসায়ী – আহত…উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী আলী আকবর বিদেশী মদসহ আটকউখিয়ার মুছারখোলা বিট কর্মকর্তা আবছারের নেতৃত্বে পাহাড় কাটা ও বালি…

শ্বশুরবাড়ির লোকজনই হত্যা করেছে নদীকে- দাবি পরিবারের

PabnaRizvi_1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

সাংবাদিক সুবর্ণা নদীর দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলায় নিশ্চিত পরাজয় জেনে তার সাবেক শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুবর্ণা নদীর সাবেক শ্বশুর ও ইড্রাল ফার্মাসিটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনকে আটকের কথা শোনা গেলেও তা স্বীকার করেনি জেলা পুলিশ প্রশাসন।

মঙ্গলবার রাতে শহরের রাধানগরে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বেসরকারি আনন্দ টেলিভিশনের পাবনা প্রতিনিধি সুবর্ণা আক্তার নদীকে। সাবেক স্বামী রাজীব হোসেন ও শ্বশুর আবুল হোসেনের হাত থেকে বাঁচতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন খুন হওয়া এ নারী সাংবাদিক। এ নিয়ে পাবনা ও ঢাকায় একাধিক সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন তিনি।এর আগে ২০১৭ সালের ২২ জুলাই পাবনা সংবাদপত্র পরিষদে এক সংবাদ সম্মেলন করে সুবর্ণা বলেছিলেন, ‘শিল্পপতি স্বামী রাজীব হোসেন ও শ্বশুর আবুল হোসেনের লেলিয়ে দেওয়া ভাড়াটিয়া গুণ্ডাবাহিনী তাকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা করছে।

’সুবর্ণা নদীর বোন চম্পা খাতুন জানান, ২০১৬ সালে ৬ জুন শহরের ইড্রাল ফার্মাসিটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনের ছেলে রাজীব হোসেনের সাথে ৫ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় নদীর। বিয়ের পর থেকেই ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন শুরু করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ২০১৭ সালের ৩১ মে সুবর্ণা নদীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। পরে পাঠানো হয় তালাকনামা। ২০১৭ সালের ৪ জুন পাবনা সদর থানায় নারী-শিশু ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন নদী (মামলা নং-০৮)।চম্পা খাতুন আরো জানান, মামলা করার পর থেকেই শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামী সব মামলা তুলে নেয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি প্রদান করতে থাকেন। মামলা তুলে না নিলে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিলেন তারা।

চম্পা বলেন, ‘মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি।’ মামলার রায় সুবর্ণা নদীর অনুকূলে যাবার আশংকায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন চম্পা।এদিকে, বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের পর সুবর্ণা নদীর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাবনা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল। তবে মামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানাতে রাজি হয়নি পুলিশ।পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইবনে মিজান জানান, পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে মাঠে নেমেছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) রাতে পাবনা পৌর সদরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুবর্ণার আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারের জান্নাত নামে ৬ বছরের কন্যা সন্তান ও মাকে নিয়ে শহরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন নদী।

Share this post

scroll to top