মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

উখিয়ার বনে থেমে নেই পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মান

Spread the love

সম্প্রতি, পাহাড় কাটা বন্ধে পদক্ষপে গ্রহণ না করায় কক্সবাজাররে ডিসি,এসপি, উখিয়ার ইউএনওসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি হলেও থেমে নেই অবধৈ পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মান।

উখিয়া বন রেঞ্জের উয়ালা বনবিটের উত্তর পুকুরিয়া, রুহুল্লার ডেবা, উত্তর পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে,সিকদারবিল, টাইপালং, হরিণমারা বাগানের পাহাড়, হরিণমারা, উখিয়া সদর বনবিটের মালিয়ারক’ল, ফলিয়া পাড়া, মাছকারিয়া, জারাইলতলী, চেংখোলা, হাতিমোরা,মহুরী পাড়া, কুতুপালং উত্তর পাড়া, হাঙ্গরঘোনা, কুতুপালং পশ্চিম পাড়া, পূর্ব- পাড়া,টিএন্ডটি, হাজম রাস্তার মাথাসহ সর্বত্রে চলছে পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে মাটি পাচার ও অবৈধ স্থাপনা নির্মান কাজ অব্যাহত থাকলেও উখিয়া বন রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তারা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রয়েছে নিরব দর্শকের ভুমিকায়। আর এতে ধ্বংস হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকার বন সম্পদ ও পরিবেশ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উখিয়ার বনভুমি ধ্বংসের নৈপত্য বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদই যতেষ্ট বলে তারা জানিয়েছেন।

সরজমিন হাজম রাস্তা এলাকা ঘুরে এবং সরকারি বনভুমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মানকারী রোহিঙ্গা ফখরুল বলেন, আমি ও আমার পরিবার, শশুর বাড়ীর আত্নীয় স্বজন ও আমার আত্নীয় স্বজনসহ আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিচয় আত্নগোপন করে শাহপরীর দ্বীপ এলাকার পরিচয় দিয়ে ডাক্তার মালেক ও বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদকে টাকা দিয়ে বিল্ডিং ও মার্কেট নির্মান করেছে। রোহিঙ্গা ফখরুল আরো বলেন, এদেশে টাকা থাকলে সব কিছু সম্ভব। শতশত লোকজন ফরেষ্টারকে টাকা দিয়ে পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মান করে যাচ্ছে। আমি করলে দোষ কোথায়।

শুধু তাই নয়, উখিয়ার সর্বত্রে চলছে পাহাড় কাটা, সরকারি বনভুমিতে স্থাপনা নির্মান, সরকারি বনভুমি বেছা- বিক্রি, বেপরোয়া ভাবে চলেলও নিরব দর্শকের ভুমিকায় রয়েছে উখিয়ার বন প্রশাসন।

স্থানীয়রা ক্ষুব্দ কন্ঠে বলে, ওয়ালা বনবিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ নামে ওয়ালা বিটের দায়িত্বে থাকলেও তিনি রেঞ্জের সর্বত্রে পাহাড় কাটা, ডাম্পার মালিক, সরকারি বনে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও করাতকল মালিক, কাঠ পাচারেরমতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত গডফাদারদের সহযোগিতা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা ।

উক্ত পাহাড় কাটার সাথে জড়িতরা হলেন, হরিণমারা এলাকার হেডম্যান মোহাম্মদের ছেলে তাহের, তুতুরবিল এলাকার শামশুল আলমের ছেলে এলাকার চিহ্নিত পাহাড় কেখো সালাহ উদ্দিন, হরিণমারা এলাকার মোহাম্মদ, কবির আহম্মদ, মৃত আবুল শমার ছেলে নুর আহম্মদ প্রকাশ পিটিং বদু, মৌলভী রফিক, উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে বেলাল, ছৈয়দ নুরের ছেলে জাহাঙ্গীর , নুরুল কবিরের ছেলে রিদুওয়ান, হিজোলীয়া এলাকার রশিদ, হরিণমারা বাগানের পাহাড় এলাকার ছৈয়দ করিম প্রকাশ কানা ছৈয়দ, রশিদ আহম্মদের ছেলে কামাল, বাগানের পাহাড় এলাকার শাহ আলমের ছেলে কামাল, পিনিজিরকুল এলাকার আবু তাহের, পশ্চিম রতœার কামাল মিস্ত্রির ছেলে আলা উদ্দিন, নুর আহম্মদ প্রকাশ খুইল্যার দুই ছেলে সাহাব উদ্দিন ও জসিম, হরিণমারা বাগানের পাহাড় এলাকার শাহ আলমের ছেলে বাবু ও নুরুল আলম প্রকাশ নুইজ্যার ছেলে হেলাল, উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের মোস্তাকসহ ১৫/২০ জনের একটি বৃহত্তর পাহাড় কেখো সিন্ডিকেট।

ভুমিদস্যু সাহাব উদ্দিন জানান, আমরা বিট কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে মাটি পাচার করে যাচ্ছি। টাকা দিলে এদেশে সব কিছু করা সম্ভব। তাই বন বিভাগ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং ছুপ থাকতে বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ