মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

উখিয়ার শীর্ষ মানব পাচার ও ইয়াবাকারবারী সোহাগকে ধরিয়ে দিন

Spread the love

উখিয়া সীমান্ত জনপদ, সাগর পথের ইয়াবা ও মানব পাচারকারীদের জনক আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ মানব পাচারকারী শামশুল আলম প্রকাশ ইয়াবা সোহাগকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে অস্ত্র, ইয়াবা ও মানব পাচারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য?
সরজমিন জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি এলাকা ঘুরে জানা গেছে, উখিয়া – টেকনাফ সীমান্ত, সাগর পথ ও ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের জনক সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে শামশুল আলম সোহাগ প্রায় একযুগ আগে সাগরে মাছ ধরার জেলে থেকে মালেশিয়া মানব পাচার ও ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িয়ে আজ শূণ্যে থেকে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন শহর কক্সবাজারের নুনিয়ার ছড়া নামক এলাকায় আলিশান জীবন – যাপন করার পাশাপাশি ইয়াবা ও মানব পাচারের কালো টাকা সাদা করার ণীল নকশা তৈরি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি, স্বপ্নের দেশ মালেশিয়া মানব পাচারের সময় টেকনাফে ট্রলারডুবির ঘটনার পর থেকে সোহাগ গ্রেপ্তার আতংকের বুঝা মাথায় নিয়ে বনে জঙ্গলে ঘুরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয়, জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে শামশুল আলম সোহাগ বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ চট্রগ্রাম সদর ঘাট থানা পুলিশের হাতে আটক হয়ে দীর্ঘ ৬ মাস কারাগারে থাকার পরে জামিনে বের হয়েছে। যার মামলা নং- জিআর ৬১/২০১৬ইং। মাদক আইনে কক্সবাজার সদর থানা মামলা নং- জিআর ৯০/২০১৫ইং।
মানব পাচার আইনে রামু থানা মামলা নং- ৪২/২০১৪ইং। পৃথক উখিয়া থানায় দুটি মানব পাচার মামলা নং- জিআর ২৫/২০১৪ইং। অপর মামলা নং- জিআর ৪৪/২০১৫ইং সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরো একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
সচেতন মহলের অভিযোগ, অচিরেই ইয়াবা ও মানব পাচারকারীদের অন্যতম গডফাদার সোহাগকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা না হলে এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্র ও যুবসমাজকে রক্ষা করা কখনো সম্ভব হবে না। তাই তার গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ১৫ এর হস্তক্ষেপ কামানা করেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ