সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

উখিয়ার হরিণমারায় চলছে নির্বিচারে পাহাড় নিধন ঃ বন বিভাগের চোখে কালো চশমা

Spread the love

উখিয়া রেঞ্জের হরিণমারা এলাকায় দিবারাত্রি পাহাড় নিধনের মহোৎসব চলেলও বন বিভাগ চোখে কালো চশমা দিয়ে রয়েছে নিরব দর্শকের ভুমিকায়।
সূত্রমতে, মধ্যম রাজাপালং এর জামাই আব্দুর রশিদ প্রকাশ ইয়াবা রশিদ ও তার চেইন অব কমান্ড হেডম্যান মোহাম্মদের ছেলে শীর্ষ পাহাড় কেখো আবু তাহেরের নেতৃত্বে নুর আহম্মদ প্রকাশ খুইল্যার ছেলে সাহাব উদ্দিন, হরিণমারা বাগানের পাহাড় এলাকার শাহ আলমের ছেলে বাবু ও নুরুল আলম প্রকাশ নুইজ্যার ছেলে হেলালসহ ১০/১৫ জনের একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট সরকারি বনভুমির পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বনভুমির পাহাড়কে ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিন হরিণমারা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, হরিণমারা গ্রামের মালেশিয়া প্রবাসী ছৈয়দ হোসনের স্ত্রী পারভিন আক্তার উল্লেখিত সিন্ডিকেটের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে দিবারাত্রি স্থাপনা ভরাটের মহোৎসব চালিয়ে গেলেও কিন্তু দেখার কেউ নেই।

পরিবেশ বাদীরা বলেন, হরিণমারা এলাকার পাহাড় নিধন সিন্ডিকেটের লোকজন বনভুমির পাহাড়কে টার্গেট করে সরকারি বনভুমিকে বিরান ভুমিতে পরিনত করে যাচ্ছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে বন ও পরিবেশ, লাভবান হচ্ছে পাহাড় কেখো সিন্ডিকেট।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাহাড় কেখো বলেন, আমরা প্রতি রাতে বন বিভাগকে টাকা দিয়ে পাহাড়ের মাটি পাচার করি। যে দিন পাহাড় কাটবো সে দিন সন্ধায় টাকা না দিলে এমনকি গাড়ী পর্যন্ত বের করা যাবে না। তাছাড়া হেডম্যান মোহাম্মদের বদৌলতে আমরা সুযোগ – সুবিধা একটু বেশি পায়।

দোছড়ি বনবিট কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র হাওলাদারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এদের জন্য মামলা দেওয়া আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ