মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

উখিয়ার হরিণমারায় তাহের সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে চলছে পাহাড় কাটার ধুম

Spread the love

কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন হরিণমারা ও বাগানের পাহাড় এলাকায় তাহের সিন্ডিকেটের
নেতৃত্বে দিবারাত্রি চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব।

সূত্রমতে, হেডম্যান মোহাম্মদের ছেলে শীর্ষ পাহাড় কেখো আবু তাহের, হরিণমারা এলাকার বদি আলম প্রকাশ সাদু বদি আলম, সালাহ উদ্দিন হরিণমারা গ্রামের ছৈয়দ নুরের ছেলে আবুল কালাম, মধ্যম রাজাপালং এর জামাই আব্দুর রশিদ, নুর আহম্মদ প্রকাশ খুইল্যার ছেলে সাহাব উদ্দিন, হরিণমারা বাগানের পাহাড় এলাকার শাহ আলমের ছেলে বাবু ও নুরুল আলম প্রকাশ নুইজ্যার ছেলে হেলালসহ ১০/১৫ জনের একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট সরকারি বনভুমির পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে নির্বঘ্নেে মাটি পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বনভুমির পাহাড়কে ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্রমতে আরো জানা গেছে, উল্লেখিত সিন্ডিকেটের গডফাদাররা লাল গাড়ি, সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার, ডজনখানিক মোটর সাইকেল শোডাউনের মধ্যে দিয়ে রেঞ্জের বন কর্মকর্তা ও বনকর্মীদেরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নির্বিচারে বনভুমির পাহাড়ের উপর চালিয়ে যাচ্ছে পাহাড়যজ্ঞ।

স্থানীয় পরিবেশবাদীরা বলেন, অচিরেই তাহের সিন্ডিকেটের মতো পাহাড় ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি বনভুমির পাহাড়ের কোন প্রকার চিহ্নও থাকবেনা। তাই পাহাড় কাটার সাথে ব্যবহ্নত ডাম্পার গাড়ী ও বন কর্মকর্তাদের পাহারার দায়িত্বে থাকা গাড়ি গুলো জব্দ করার পাশাপাশি কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা না হলে এলাকার বনও পরিবেশের উপর চরম বিপর্যয় দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এব্যাপারে উখিয়া রেঞ্জের সুদক্ষ রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী মু: শফিউল আলম বলেন, উখিয়ার প্রত্যকটি প্রবেশ পথে পাহাড় কেখো সিন্ডিকেটের লোকজন আমাদেরকে পাহারা দিয়ে থাকে বলে শুনেছি, তবে পাহারাদার বলেন আর পাহাড় কেখো বলেন আমার হাত থেকে কেউ রক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। পাহাড় কেখোদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ