মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

উখিয়ায় বিট কর্মকর্তার ইশারায় চলে দুইশতাধিক অবৈধ ডাম্পার

Spread the love

কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের ৮ টি বনবিটে বিরামহীন ভাবে চলছে পাহাড় কাটা, ইট ভাটায় সামাজিক বনায়নের কাঠ পাচার, অবৈধ বালি পাচার, অবৈধ করাত কল, সরকারি বনভুমির জায়গা বেছা- বিক্রি ও সরকারি বনভুমির জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মানে সহযোগিতা করে লাখ লাখ টাকা মাসিক মাসোহারা নিয়ে রহস্যজনক কারনে নিরব দর্শকের ভুমিকায় উখিয়া বনরেঞ্জ কার্যালয়ের বন কর্মকর্তারা। কিন্তু দেখার কেউ নেই।

হরিণমারার হেডম্যান মোহাম্মদের ছেলে আবু তাহের বলেন, আমাদের বিট অফিস দোছড়ি হলেও আমরা লেনদেন করি বন বিভাগের ম্যানেজার ও উয়ালা বনবিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদের সাথে।

হাঙ্গরঘোনা এলাকায় অবৈধ বালি উত্তোলনের সাথে জড়িত ঘুমধুমের আবুল কালাম মেম্বার বলেন, বিট অফিসার বজলুকে টাকা দিয়ে পাহাড় থেকে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক করাতকল মালিকরা বলেন, বিট অফিসার বজলুর রশিদকে প্রতি মাসের ৫ তারিখের ভিতরে মাসিক ১০ হাজার টাকা পৌছে দিতে হয়। অন্যতায় করাত কল উচ্ছেদের হুমকি ধমকি ও মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। শুধু তাই নয়, সরকারি জয়গা বেছা – বিক্রি ও স্থাপনা নির্মানে সহযোগিতা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
সম্প্রতি, কুতুপালং বাজার এলাকার শাহাজানকে মার্কেট নির্মানে সহযোগিতা করে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। পরে ফ্লীম ষ্টাইলে মার্কেটের ভিতরে নার্সারী থেকে গাছের চারা রূপন করে দিয়ে এটি ধামাচাপা দিয়ে থাকে বলেও জানায়।

স্থানীয় এক সুশিল সমাজের লোকজন বলেন, উখিয়া রেঞ্জের সদর বনবিট ও উয়ালা বনবিটের বিতর্কিত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, সম্প্রতি উখিয়া সদর বনবিটের দায়িত্ব কাগজে কলমে নবাগত বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানের নিকট হস্তান্তর করলেও উপদেষ্টা হিসাবে ওই বিটেও রাম রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ।

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, গত ১১ জুন ২০২১ইং বন সংরক্ষক চট্রগ্রাম অঞ্চলের প্রধান আব্দুল আউয়ালের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে উখিয়া রেঞ্জের ওয়ালা বনবিটের বিতর্কিত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদকে চট্রগ্রাম অঞ্চলে বদলী করা হলেও বেহাল তবিয়তে তিনি কর্মস্থলে থেকে উখিয়ার বন ভুমিকে বিরান ভুমিতে পরিনত করে গেলেও সংশ্লিষ্ট বন প্রশাসনের চোখে কালো চশমা? কারন বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ উখিয়া রেঞ্জের দুধের গাভী তাই।

কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের সরকারি বনভুমি ধ্বংসের নৈপত্য বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদই যতেষ্ট বলে পরিবেশবাদীদের অভিযোগ।

স্থানীয় পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, বিতর্কিত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্তপূর্বক তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরী। অন্যতায় উখিয়া বন রেঞ্জের বনভুমির কোন চিহ্ন বলে কিছু থাকবেনা।

ভুমিদস্যু সাহাব উদ্দিন জানান, আমরা বিট কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে মাটি পাচার করে যাচ্ছি। টাকা দিলে এদেশে সব কিছু করা সম্ভব। তাই বন বিভাগ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং ছুপ থাকতে বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ