সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় পাহাড় কেখোদের হামলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহত সরকার বড় নাকি ভুমিদস্যু শাহাজান বড় ? কুতুপালংয়ে সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত মার্কেট উদ্ভোধন উখিয়ায় ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই আহত থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ এর নেতৃত্বে চলছে স্থাপনা নির্মানের উৎসব কে হচ্ছেন বালুখালী পানবাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমবায় সমিতির অভিভাবক দোছড়ি বনে থেমে নেই পাহাড় কাটা – অসহায় বিট কর্মকর্তা কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হলেন জাহাঙ্গীর আলম আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে নুরুল ইসলাম সওদাগর সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী

কুতুপালং ক্যাম্প ও করইবনিয়া সীমান্তেুর শীর্ষ ইয়াবা ডন শাহাব মিয়া অস্ত্রসহ আটক

Spread the love

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত, উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প ভিত্তিক ও করইবনিয়া, ডেইলপাড়া সীমান্ত এলাকা নিয়ন্ত্রক কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের টানা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার আব্দুস ছালামের দুই ছেলে আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ ইয়াবা কারবারি শাহাব মিয়া ও তার ছোট ভাই মাহমুদুর রহমানকে অস্ত্রসহ আটক করেছে।
সূত্রমতে, কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প এপিবিএন পুলিশের ইনচার্জ ওসি (নিরস্ত্রর) আব্দুর রাজ্জাক এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লম্বাশিয়া ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, নারী ধর্ষন, অপহরণ, ডাকাতি, ছিনতায়সহ শত অপকর্মের অন্যতম হোতা শীর্ষ ইয়াবা কারবারি শাহাব মিয়া ও তার ছোট ভাই মাহমুদুর রহমানকে অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন পুলিশের ইনচার্জ ওসি (নিরস্ত্রর) আব্দুর রাজ্জাক।

সূত্রমতে আরো জানা গেছে, ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় দিয়ে শাহাব মিয়া সু-কৌশলে বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে রোহিঙ্গা শাহাব মিয়া থেকে স্থানীয় শাহাব মিয়া পরিচয় দিয়ে ক্যাম্প ও সীমান্ত এলাকায় চরম নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, ডেইল পাড়া সীমান্ত এলাকার ছব্বির আহম্মদের ছেলে ইয়াবা জগতের কিং জসিম উদ্দিনের সাথে আতাঁত করে সে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলার পাশা প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওপার থেকে এপারে বস্তায় বস্তায় ইয়াবার চালান এদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। কিন্ত দেখার কেই নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উক্ত দুই ইয়াবা গডফাদার সীমান্ত এলাকায় এক কথিত জনপ্রতিনিধির সেল্টার নিয়ে এলাকায় স্থানীয় পরিচয় দিয়ে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অচিরেই শাহাব মিয়া ও তার ভাই মাহমুদুর রহমান ও ইয়াবা জসিমকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা না হলে সীমান্ত এলাকা ও ক্যাম্পের আইনশৃংলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হওয়ার আশংকা দেখা দিবে বলে তারা মনে করছে।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মদ সন্জুর মোরশেদ তদন্তপূর্বক জড়িতদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ