সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় পাহাড় কেখোদের হামলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহত সরকার বড় নাকি ভুমিদস্যু শাহাজান বড় ? কুতুপালংয়ে সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত মার্কেট উদ্ভোধন উখিয়ায় ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই আহত থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ এর নেতৃত্বে চলছে স্থাপনা নির্মানের উৎসব কে হচ্ছেন বালুখালী পানবাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমবায় সমিতির অভিভাবক দোছড়ি বনে থেমে নেই পাহাড় কাটা – অসহায় বিট কর্মকর্তা কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হলেন জাহাঙ্গীর আলম আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে নুরুল ইসলাম সওদাগর সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী

ঘুমধুম – তুমব্রু সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি রশিদকে ধরিয়ে দিন

Spread the love

উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি আব্দুর রশিদ প্রকাশ ইয়াবা রশিদ ও তার চেইন অব কমান্ড ইলিয়াছকে ধরিয়ে দিন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে মাদকেরমত জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতরা একদিকে আটক হচ্ছে অন্যদিকে বন্দুকযুদ্ধে মরলেও উক্ত মাদকের সাথে জড়িত আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ মাদক কারবারীরা বারাবরেরমত রয়ে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা আইনশৃংখলা বাহিনীর লোকজন ও স্থানীয় সচেতন মহলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তারা সীমান্তের ওপার থেকে এপারে বস্তায় বস্তায় ইয়াবার চালান এদেশে নিয়ে এসে কুতুপালং ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এতে দেশের শান্তিশৃংখলা, ছাত্র ও যুবসমাজ দিনের পর দিন ধ্বংস করে যাচ্ছে।
তাই অচিরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িতরা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নোয়া পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ফজল করিমের দুই ছেলে ২০১৭ সালে ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালিন ইনচার্জ এরশাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুর রশিদ প্রকাশ ইয়াবা রশিদ ও তার চেইন অব কমান্ড ৪৮ হাজার ইয়াবা মামলার আসামী ইয়াবা রশিদের ছোট ভাই ইলিয়াছ সহ শীর্ষরা।
শুধু তাই নয়, তারা সীমান্ত এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে দিবারাত্রি সীমান্ত জনপদ দিয়ে বস্তাই বস্তাই ইয়াবার চালান এদেশে নিয়ে এসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
স্থানীয় সুশিল সমাজের অভিযোগ, সীমান্ত জনপদের ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িতদের সামরাজ্য অচিরেই ধ্বংস করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা না হলে এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্র, যুবসমাজ, পরিবেশ ও এলাকার শান্তিশৃংখলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী, রাজনৈতিক নেতারাও উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িত রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, রোহিঙ্গাদের ইয়াবার অর্থের পুরোটাই দিচ্ছে নাইক্ষ্যংছড়ি ও উখিয়ার প্রভাবশালী কিছু জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। তারা সবাই ঐ এলাকার বর্তমান ও সাবেক বিতর্কিত জনপ্রতিনিধির অনুসারী বলে জানা গেছে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মদ সন্জুর মোরশেদ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ