সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

ঘুমধুম – তুমব্রু সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি রশিদকে ধরিয়ে দিন

Spread the love

উখিয়ার পার্শ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি আব্দুর রশিদ প্রকাশ ইয়াবা রশিদ ও তার চেইন অব কমান্ড ইলিয়াছকে ধরিয়ে দিন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে মাদকেরমত জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতরা একদিকে আটক হচ্ছে অন্যদিকে বন্দুকযুদ্ধে মরলেও উক্ত মাদকের সাথে জড়িত আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ মাদক কারবারীরা বারাবরেরমত রয়ে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারিরা আইনশৃংখলা বাহিনীর লোকজন ও স্থানীয় সচেতন মহলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তারা সীমান্তের ওপার থেকে এপারে বস্তায় বস্তায় ইয়াবার চালান এদেশে নিয়ে এসে কুতুপালং ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এতে দেশের শান্তিশৃংখলা, ছাত্র ও যুবসমাজ দিনের পর দিন ধ্বংস করে যাচ্ছে।
তাই অচিরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িতরা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নোয়া পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ফজল করিমের দুই ছেলে ২০১৭ সালে ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালিন ইনচার্জ এরশাদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুর রশিদ প্রকাশ ইয়াবা রশিদ ও তার চেইন অব কমান্ড ৪৮ হাজার ইয়াবা মামলার আসামী ইয়াবা রশিদের ছোট ভাই ইলিয়াছ সহ শীর্ষরা।
শুধু তাই নয়, তারা সীমান্ত এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে দিবারাত্রি সীমান্ত জনপদ দিয়ে বস্তাই বস্তাই ইয়াবার চালান এদেশে নিয়ে এসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
স্থানীয় সুশিল সমাজের অভিযোগ, সীমান্ত জনপদের ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িতদের সামরাজ্য অচিরেই ধ্বংস করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা না হলে এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্র, যুবসমাজ, পরিবেশ ও এলাকার শান্তিশৃংখলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী, রাজনৈতিক নেতারাও উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িত রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, রোহিঙ্গাদের ইয়াবার অর্থের পুরোটাই দিচ্ছে নাইক্ষ্যংছড়ি ও উখিয়ার প্রভাবশালী কিছু জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। তারা সবাই ঐ এলাকার বর্তমান ও সাবেক বিতর্কিত জনপ্রতিনিধির অনুসারী বলে জানা গেছে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মদ সন্জুর মোরশেদ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ