রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২

Spread the love

উখিয়ার থাইংখালী গজোঘোনা এলাকায় অবৈধ স’ মিলে দিবারাত্রি কাঠ চিরায়ের শব্দ দোষনে এলাকাবাসীরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। উক্ত শব্দ দোষনের প্রতিবাদ করায় হামলা চালিয়ে দুইজনকে গুরুতর আহত করেছে। মঙ্গলবার দুপর ৩ টার দিকে উক্ত হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

সূত্রমতে, পালংখালী ইউনিয়নের গজোঘোনা গ্রামের মৃত নুর আহম্মদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও কাঠ চোর সিন্ডিকেটের অন্যতম গডফাদার নুরুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে থাইংখালী বনবিট অফিসের অসাধু বন কর্মকর্তাদেরকে মাসিক মাষোহারা দিয়ে দিবারাত্রি স’মিলে কাঠ চিরায় করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ রহস্যজনক কারনে রয়েছে নিরব দর্শকের ভুমিকায়।

৪ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ৩ টার দিকে কাঠ চিরায়ের শব্দ দোষন সহ্য করতে না পেরে একই এলাকার মৃত নুর আহম্মদের দুই ছেলে মোঃ ছিদ্দিক ও নুরুজ্জামান প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আমিনের নেতৃত্বে গজোঘোনা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও নুরুল হকের ছেলে মোবারকসহ শীর্ষরা ধারালো দা, লাঠিসোটা ইত্যাদি দিয়ে ছিদ্দিক ও নুরুজ্জামানকে বেদড়ক মারধর পূর্বক গুরুতর জখম করে মাটিতে ফেলেদে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসময় আহতদের শোর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে অস্ত্রধারীদের কবল থেকে আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত মোঃ ছিদ্দিক প্রতিবেদককে বলেন, মারধরে বিষয় নিয়ে থানা বা আদালতের আশ্রয় নিলে স্ব – পরিবারে হত্যা করে লাশ ঘুম করা হবে মর্মে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। তাই আমি ও আমাদের পরিবারের জীবনের নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ অবৈধ স’মিল উদ্ধারে দফায় দফায় অভিযান করলেও রহস্যজনক কারনে গজোঘোনার অবৈধ স’মিলটা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি প্রশাসন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, থাইংখালী বন বিভাগের আর্শিবাদ ও মাসিক মাষোহারায় নুরুল আমিনের স’মিলটি চলে তাই অভিযান শুরু করার আগেই স’মিলটি সরিয়ে ফেলা হয়।

থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও টাকা নেওয়ার কথাটি তিনি অস্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ