শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জালিয়া পালং বিটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির উৎসব — বিট কর্মকর্তা লাখপতি বালুখালী সীমান্তের বুজুরুজ ও রহিমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ভুলু হত্যা ও ইয়াবাসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাইংখালীতে দিবারাত্রি স’ মিলে কাঠ চিরায়ের উৎসবঃ হামলায় আহত – ২ কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা কর্তৃক স্থানীয়দের ধান ক্ষেত নষ্ট সোনার পাড়ায় ইয়াবা কাদের এর হামলায় কলেজ ছাত্র আহত উখিয়ায় ইয়াবা কারবারীর ধারালো দায়ের কূপে আহত মিজান ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নির্মিত হচ্ছে পাহাড় কেখো ছৈয়দ করিমের স্থাপনা হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার দুধের গাভী হেডম্যান লাবু ইনানী বনাঞ্চলে জ্বলছে আগুন, পুড়ছে বাগান উখিয়ায় বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদের মাসিক মাষোহারায় চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের উৎসব

রোহিঙ্গাদের কথা শুনলেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার

Spread the love

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখলেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট। তিনি রোহিঙ্গা ইয়ুথ ও ইমামদের ২০ জন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলাদাভাবে কথাও বলেছেন।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়া ৪নং ক্যাম্পের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরে যান তিনি। এসময় ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ নামে রোহিঙ্গাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি নিয়ে একটি চিঠি তার হাতে হস্তান্তর করেন রোহিঙ্গা নারী নেত্রী জামালিদা বেগম। এছাড়া সকালে ইউএনএইচসিআরের রেজিস্ট্রেশন সেন্টারে রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. খালিদ হোসেন এবং আইএসসিজিসহ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার কর্মকর্তারা।

খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, সকালে টেকনাফের নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবির ঘুরে দেখেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান মিশেল ব্যাচলেট। এ সময় রোহিঙ্গা শিবিরের ইয়ুথ ও ইমামদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

দুপুরে তিনি উখিয়ার দিকে রওনা হন। তবে কোনো গণমাধ্যম কর্মীর সঙ্গে কথা বলেননি মিশেল ব্যাচলেট।

রোহিঙ্গা ইয়ুথ আবদুল আজিজ বলেন, আমরা কেমন আছি, তা জানতে চান তিনি। তাকে বলেছি, মিয়ানমারের চাইতে হাজারও গুণ ভালো আছি। কারণ ওখানকার সেনারা আমাদের ওপর হত্যা-নির্যাতন চালিয়েছে। কিন্তু এই দেশ আমাদের খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করে যাচ্ছে। খেলাধুলার পাশাপাশি ক্যাম্পে খুনখারাপির বিষয়টি জানানো হয়। আমরা ক্যাম্পে মিয়ানমারের কারিকুলাম চালু করতে অনুরোধ করেছি। এছাড়া সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহর বিষয়ে জানতে চান তিনি। জবাবে আমি বলি, তিনি না থাকাতে রোহিঙ্গাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ভালোমন্দের ব্যাপারে তেমন আর কেউ চিন্তা করছে না তার মতো।

উখিয়া ক্যাম্পের সৈয়দ হোসেন বলেন, আমাদের ওপর চালানো নির্যাতন ও নিপীড়নের কথা শুনেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট। আমি বলেছি নিজ দেশে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই। তবে আবার যেন সেখানে গিয়ে নির্যাতনের মুখে পড়তে না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। এসময় তিনি আমাদের বিষয়গুলো সবখানে তুলে ধরার কথা জানান।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট রোববার ঢাকায় পৌঁছান। সেমবার বিকেলে তিনি বিশেষ ফ্লাইটে কক্সবাজার আসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ