সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় পাহাড় কেখোদের হামলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহত সরকার বড় নাকি ভুমিদস্যু শাহাজান বড় ? কুতুপালংয়ে সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত মার্কেট উদ্ভোধন উখিয়ায় ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই আহত থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ এর নেতৃত্বে চলছে স্থাপনা নির্মানের উৎসব কে হচ্ছেন বালুখালী পানবাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমবায় সমিতির অভিভাবক দোছড়ি বনে থেমে নেই পাহাড় কাটা – অসহায় বিট কর্মকর্তা কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হলেন জাহাঙ্গীর আলম আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে নুরুল ইসলাম সওদাগর সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী

হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তার নিরব চাঁদাবাজীতে ধ্বংস হচ্ছে বন? ক্ষুব্দ পরিবেশবাদীরা

Spread the love

সাধুরা সাবধান? উখিয়া রেঞ্জের হলদিয়া পালং বনবিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলমের নিরব চাঁদাবাজীতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা।
সরজমিন হলদিয়া পালং বনবিটের হাতিরঘোনা এলাকার পরিতোষ বড়–য়ার নেতৃত্বে স্কেভেটার ও অবৈধ ডাম্পার গাড়ী দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি পাচারের একাংশ, ঘাটিপাড়া, মধু ঘোনা, ক্লাসে পাড়া এলাকা ঘুরে ও বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলমের নেতৃত্বে হেডম্যান লাবুসহ বনকর্মীরা হাতিরঘোনা, ঘাটিপাড়া, মধু ঘোনা, ক্লাসে পাড়া এলাকার চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও পাহাড় যজ্ঞেরমতো জঘন্য অপরাধীদের সাথে আতাঁত করে সরকারি বনভুমিতে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা, পাহাড় কাটা, অবৈধ করাতকলে সহযোগিতা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আর এতে ধ্বংস হচ্ছে বন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র। বিট কর্মকর্তা ও হেডম্যানের লাগামহীন চাদাঁবাজীতে ক্ষুব্দ স্থানীয় পরিবেশবাদী, সুশিল সমাজের লোকজন ও সচেতন মহল।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, হলদিয়া পালং বনবিট কর্মকর্তার বেপরোয়া মানলিতে সরকারি বনভুমির কোন প্রকার চিহ্ন থাকবেনা বলে তারা দাবী করেন।

স্থানীয় পরিবেশবাদীরা বলেন, হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলম ও হেডম্যান লাবুর অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিষয়টুকু জেলা সমন্বয় মিটিংয়ে উত্তাপন করা হবে বলে তারা জানান। পরিবেশবাদীরা আরো বলেন, অতি শিঘ্রই বিট কর্মকর্তার অনিয়ম, দুর্নীতির তথ্য প্রমান সহকারে ঢাকাস্থ পরিবেশ ও বনমন্ত্রনালয় বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক ডাম্পার মালিক বলেন, ভাই আমরা বন বিভাগকে টাকা দিয়ে পাহাড় কেটে মাটি পাচার করি, যদি বন বিভাগকে টাকা না দিই, তাহলে পাহাড় কাটাতো দুরের কথা পাহাড়েও হাত দেওয়া যাবেনা।

হেডম্যান লাবু বলেন, আমার একটি ডাম্পার গাড়ী আছে সেটা ডিপু, এসিএফ ও রেঞ্জারসহ সবাই জানে, কারন তাদের সাথে আমার সব সময় উঠা বসা, তাই তারা আমার দিখে থাকাইনা। আর এদেশেতো টাকা থাকলে বিশ্বজয় করা যায়, যার টাকা নাই তার জন্য পৃথিবীটা অন্ধকার। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে যা থাকে আর কি?

এ ব্যাপারে, হলদিয়া পালং বিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলম পাহাড় কাটা ও মাটি পাচারের কথা স্বীকার করলেও টাকা নেওয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ