সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় পাহাড় কেখোদের হামলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহত সরকার বড় নাকি ভুমিদস্যু শাহাজান বড় ? কুতুপালংয়ে সরকারি খাস জায়গায় নির্মিত মার্কেট উদ্ভোধন উখিয়ায় ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই আহত থাইংখালী বিট কর্মকর্তা বিকাশ দাশ এর নেতৃত্বে চলছে স্থাপনা নির্মানের উৎসব কে হচ্ছেন বালুখালী পানবাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমবায় সমিতির অভিভাবক দোছড়ি বনে থেমে নেই পাহাড় কাটা – অসহায় বিট কর্মকর্তা কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হলেন জাহাঙ্গীর আলম আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে নুরুল ইসলাম সওদাগর সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আসন্ন কুতুপালং বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী

২২ মাঝিমাল্লাসহ বাংলাদেশি ৪টি ট্রলার নিয়ে গেছে মিয়ানমার!

Spread the love

বাংলাদেশ জলসীমা গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করা অবস্থায় প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের অদূর থেকে বাংলাদেশী ২২ মাঝিমাল্লাসহ চারটি ফিশিং ট্রলার ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌবাহিনীর সদস্যরা।

২০ নভেম্বর (শনিবার) সকাল ১০ টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্ব দিক থেকে দুই দফায় মাছ ধরার ৪টি ট্রলারসহ ২২ জন মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি স্বীকার করে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, তার দ্বীপের চারটি ট্রলারসহ ২২ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌবাহিনী। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন।

স্থানীয় জেলেরা জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা নুরুল আমিন, মো. আজিম, মো. হোসেন এবং তার ছেলে মো. ইউনুছের মালিকাধীন চারটি মাছ ধরার ট্রলারে করে ২২ জন মাঝিমাল্লা সাগরে মাছ শিকারে যান। সকালে দ্বীপের পূর্বদিকে মিয়ানমার নৌবাহিনীর সদস্যরা এসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই ট্রলারসহ ২২ জন মাঝিমাল্লাদের ধরে নিয়ে যায়। পরে তারা তীরে এসে জনপ্রতিনিধিসহ ট্রলার মালিকদের বিষয়টি জানান।

এ বিষয়ে ট্রলার মালিক মো. আজিম জানান, সকালে সেন্টমার্টিনের পূর্ব দিকে এপারে ঢুকে মিয়ানমার নৌবাহিনীর সদস্যরা তার মাছ ধরার ট্রলারটি ধরে নিয়ে যায়। ট্রলারে ৬ জন মাঝিমাল্লা ছিল। এছাড়া আরো তিনটি ট্রলার ধরে নিয়ে গেছে। ঘটনাটি বিজিবি ও কোস্ট গার্ডকে জানিয়েছেন।

সেন্টমার্টিন স্টেশনের কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, মাঝিমাল্লাসহ ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। তবে তারা কি রোহিঙ্গা নাকি বাংলাদেশি সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী জানান, ‘মাছ ধরার ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি ব্যবস্থা নিবে। এ ব্যাপারে টেকনাফ ২ বিজিবির কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


পেইজ