সংবাদ শিরোনাম
নিষিদ্ধ এনজিও ‘আল মারকাজুল ইসলামী’র নির্মিত ১৮ রোহিঙ্গা বসতি উচ্ছেদগরু চুরির অপবাদ, মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতনের ঘটনায় ৫ আসামী…উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপে সংঘর্ষউখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনামানবপাচারকারী জালাল জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথার চুল উপড়িয়ে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনাকক্সবাজারে গণবদলির পর নতুন ওসি-এসআইসহ ৩৭ জনকে পোস্টিংকক্সবাজার থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১৩৪৭ সদস্য বদলিরোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী জাতীয় পত্র বানিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট, জড়িত শিক্ষক…

বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন; ডিবির ৮ সদস্য বরখাস্ত

DBC.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

বরিশালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি’র ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ৮ সদস্যের সকলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত গোয়েন্দা পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনারের পদ থেকে উত্তম কুমার পালকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উপ-কমিশনার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়াকে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনারের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত ১৩ মার্চ সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনের পর ১৪ মার্চ প্রধান অভিযুক্ত কনস্টেবল মাসুদুল হককে এবং ১৫ মার্চ অপর দুই কনস্টেবল চৌধুরী রাসেল পারভেজ ও মো. আব্দুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনায় গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রুনা লায়লার নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সোমবার পুলিশ কমিশনার রুহুল আমীন ওই দলের অপর ৫ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

এরা হলো এসআই মো. আবুল বাশার, এএসআই মো. আক্তারুজ্জামান, এএসআই স্বপন চন্দ্র দে এবং কনস্টেবল কাজী সাইফুল ইসলাম।

সোমবার এবং ইতিপূর্বে দুই ধাপে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া গোয়েন্দা পুলিশের ৮ সদস্যকে অপরাধের বিষয়ে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক।

গত ১৩ মার্চ দুপুরে নগরীর বিউটি রোড থেকে ক্যামেরাপার্সন সুমনকে প্রকাশ্যে পেটাতে পেটাতে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পথিমধ্যে গাড়িতে তার অন্ডকোষ চেপে ধরাসহ ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকরা প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠলে তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা পুলিশের ওই দলের ৮সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়।

ওই ঘটনার পর থেকে সুমন শেরে-ই বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। এখনও শয্যাশয়ী তিনি। চিকিৎসকরা বলেছেন, সুমনের অন্ডকোষে ব্যাথা রয়েছে। ধীরে ধীরে এই ব্যাথা উপশম হবে।

Share this post

scroll to top