সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে রোহিঙ্গাদের বিশাল বহররামু সেনানিবাসে ৪ ইউনিটের পতাকা উত্তোলন করলেন সেনা প্রধানউখিয়ায় একাধিক মামলার আসামি রফিকুল হুদা আটক২ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমারের ৭ নাগরিক আটককক্সবাজার সড়কে বাস ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬নাইজেরিয়ায় ১১০ কৃষকের গলা কেটে বর্বর হত্যাকাণ্ডউখিয়া প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রার্থীদের তালিকা চুড়ান্ত, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অজগর সাপ উদ্ধারউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে ৪টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও ১৪টি…রোহিঙ্গা সুরক্ষায় নির্দেশনা অনুযায়ী আদালতে মিয়ানমারের দ্বিতীয় প্রতিবেদন

যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে জন্ম নেয়নি কোন শিশু!

165456_bangladesh_pratidin_bdp_woman_birth.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতোই। নাম শঙ্ক শ্যাম জি গ্রাম। কিন্তু এই গ্রামের রয়েছে অদ্ভুত এক রীতি। এখানে নাকি ৪০০ বছর ধরে কোন শিশু জন্ম নেয়নি। ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি।

গ্রামের প্রবীণদের দাবি অনুযায়ী, ষোড়শ শতক থেকেই এমন রীতি চলে আসছে এখানে। গ্রামের লোকেদের বিশ্বাস, এই গ্রামে ঈশ্বরের অভিশাপ রয়েছে। এই গ্রামে যদি কোনও শিশু জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে যাবে, না হলে শিশুটির মা মারা যাবেন।

গ্রামের প্রবীণদের কথায়, ষোড়শ শতকের গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সেই সময়ে এক মহিলা গম ভাঙতে শুরু করেন। সেই আওয়াজের ফলে নির্মাণকাজে ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং ঈশ্বর। অভিশপ্ত হয় গোটা গ্রাম।

ফলে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য গ্রামের সীমানার বাইরে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রাম প্রধান নরেন্দ্র গুর্জর। তিনি আরও বলেন, মন্দির নির্মাণের সময় ঈশ্বর এক মহিলা ওপর রেগে গিয়েছিলেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে গোটা গ্রামকে।

সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ৯০ শতাংশ মহিলা সন্তান প্রসব করেন হাসপাতালে। জরুরি পরিস্থিতির সময় গ্রামের সীমানার বাইরে যে ঘরটি তৈরি করা হয়েছে, সেখানেই সন্তান জন্ম দেন প্রসূতিরা।

গ্রামের আর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গ্রামের মধ্যে মদ কিংবা মাংসও খাওয়াও হয় না। ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট রাখতেই না কি এই রীতি চালু রয়েছে।

Share this post

scroll to top