উখিয়ায় এনজিও সংস্থা মারর্সি উইথাউট লিমিটিস এর কারসাজীতে সর্বশান্ত আবুল কালাম

d-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদেরকে বিদেশী ও বাংলাদেশী এনজিও সংস্থার লোকজন বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে এসে স্থানীয় ঠিকাদারদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা পরিবার গুলোর পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলেও অনেক ঠিকাদার এনজিও কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও দুর্ণীতির কবলে পড়ে পথে বসার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া গ্রামের মৃত হাজী ছৈয়দ আহম্মদের পুত্র আবুল কালাম গত ১০/৪/২০১৮ ইং থেকে ৪/৫/২০১৮ইং পর্যন্ত এনজিও সংস্থা মারর্সি উইথাউট লিমিটিস এর অধীনে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প – ৪ এ ১৩০টি ঘর নির্মান, একটি মসজিদ নির্মান ও হাসপাতাল সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করে এনজিও কর্মকর্তা ইউনুছ কার্তিককে বুঝিয়ে দেন।

উক্ত নির্মান কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও এনজিও কর্মকর্তা ইউনুছ কার্তিক ঠিকাদারের নির্মান কাজের প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিল পরিশোধ না করে উল্টো তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তা ইউনুছ কার্তিক এর নিকট মুঠফোনে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী আবুল কালাম উখিয়া ক্রাইম নিউজকে জানান, আমি দীর্ঘ দিন ধরে উল্লেখিত এনজিও সংস্থার অধীনে কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে রোহিঙ্গাদের ঘর, মসজিদ ও হাসপাতাল নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পর নির্মান কাজের টাকা চাইতে গেলে আমাকে টাকা না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি ও হুমকি ধমকি দিচ্ছে। তাই আমি ২৩ মে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অফিসার ইনচার্জ উখিয়া থানা ও ক্যাম্প ইনচার্জ কুতুপালং বরাবরে এনিজও কর্মকর্তা ইউনুছ কার্তিককে প্রধান আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নিকারুজ্জামান বলেন, সবে মাত্র অভিযোগটি হাতে পেয়েছি। তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top