টেকনাফ সীমান্তের ইয়াবা সাকের ও ইউনুচকে ধরিয়ে দিন

WWW.jpg

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী উখিয়া ::

টেকনাফ সীমান্তের , সাগর, স্থল, নৌ ও আকাশ পথের ইয়াবা নিয়ন্ত্রক উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল গ্রামের সোলতান আহম্মদের পুত্র এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ডন সাকের প্রকাশ ইয়াবা সাকের ও ইউনুচকে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিকট ধরিয়ে দিয়ে দেশ তথা দেশের ছাত্র ও যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব। দেশ ও জাতির শক্রদের এদেশে থাকার কোন অধিকার নেই বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ১০ বছর আগে সাকের ও ইউনুচ জেলের কাজ করে সংসার জীবন চালিয়ে আসতো। সে মাছ ধরার পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ার শীর্ষ মানব পাচারকারীদের সাথে শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অভিবাসীদেরকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তাদেরকে থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ার অস্থায়ী কারাগারে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালিয়ে তাদের নিকট থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় করে তাদেরকে ছেড়েদে। সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যখন মানব পাচার বন্ধে কঠুর অবস্থানে তখন গ্রেপ্তার এড়াতে তাদের বসবাস ছিল শুধু বনে জঙ্গলে। সূত্র মতে, মানব পাচার সড়ক যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন মানব পাচারের কালো টাকার পাহাড় নিয়ে নেমে পড়েন এদেশের ছাত্র ও যুবসমাজ ধ্বংসকারী মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে। গড়ে তোলেন বৃহত্তর সিন্ডিকেট। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা। নামে বেনামে ক্রয় করেছেন অঢল সম্পদ। কিন্তু দেখার কেউ নেই। শুধু তাই নয়, উপজেলার মুন্ডার ডেইল গ্রামের সোলতান আহম্মদের পুত্র আন্ডার ওয়াল্ড ইয়াবা মাপিয়া নামে খ্যাত সাকের প্রকাশ ইয়াবা সাকের। সম্প্রতি সাকের হাইকোর্ট থেকে এজাহারে দেওয়া ভ’য়া নামে জামিন প্রাপ্ত হয়ে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি টেকনাফ বর্ডার গার্ড বিজিবির অভিযানে ইয়াবা সাকেরের কয়েক কোটি টাকার ইয়াবার বৃহত্তর চালান নিয়ে পাচারকারীরা আটক হলেও বিজিবির অভিযান টের পেয়ে ছিটকে পড়ে গ্রেপ্তারের কবল থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে সাকের। ইয়াবা সাকের হচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবাকারবারী ইউনুচের ছোট ভাই। সাকের ও ইউনুচ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ঢাকা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন থানায় নামে ভ’য়া নামে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। সূত্র মতে সুচতুর সাকেরের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় নামে বেনামে সাজাপ্রাপ্তসহ একাধিক মামলা থাকলেও সে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে অল্প দিনে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে বিজ্ঞ আদালতে আর হাজির হয়না। এসব মামলায় সে আদালতে হাজিরা না দেওয়ার কারনে আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যু হলেও ভুল নাম ঠিকানার কারনে পুলিশ তাকে আটক করতে পারছে না।
তাই স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী, অতিশিঘ্রই ইয়াবা সাকের ও ইউনুচকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে এসে সমাজের শান্তিশৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ জানান তারা।
এব্যাপারে টেকনাফ থানার ওসি বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ী যত বড়ই ক্ষমতাধর হোক না কেন, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Share this post

scroll to top