উখিয়ার বন ভুমির জমিতে রোহিঙ্গা জিয়াবুলের বহুতল বভন নির্মান

4.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা শামশুল আলমের পুত্র জিয়াবুল হক ইয়াবার টাকা নিয়ে সরকারি বন ভুমির জায়গার উপর বহুতর বভন নির্মান করেছে। এব্যাপারে বন বিভাগ জানলেও ঘটনাটি এড়িয়ে চলছে।

জানা গেছে, উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং পিএফ পাড়া গ্রামে কুতুপালং ক্যাম্পের রেজিষ্ট্রাট রোহিঙ্গা জিয়াবুল হক ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় নিয়ে বন বিভাগকে ম্যানেজ করে বহুতল বভন নির্মান করেছে। অভিযোগ উঠেছে, উখিয়ার সদর বিট কর্মকর্তা নুরুল আবছারকে দুই লক্ষ টাকা দিয়ে এ বভন নির্মান করার সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ ঘটনা নিয়ে কুতুপালং এলাকার মানুষও হতভাগ হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গা কি ভাবে সরকারি বন ভুমির জায়গার উপর বহুতল বভন নির্মান করেছে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে, সদর বিট কর্মকর্তা নুরুল আবছার টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। জনশ্রুতি রয়েছে রোহিঙ্গা জিয়াবুল ১৯৯১ সালের শেষের দিকে মিয়ানমারের দমন নিপীড়ন করার অজুহাত তোলে স্ব-পরিবারে এদেশে পালিয়ে এসে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন। কিছু দিন যেতে না যেতে কুতুপালং পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসনের পুত্র কুতুপালং এলাকার অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রক জানে আলমসহ ক্যাম্প ভিত্তিক একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। উক্ত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লাখ লাখ পিস ইয়াবা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়ে ইয়াবার টাকার দাপড়ে সরকারি বন ভুমির উপর গড়ে তোলে আলিশান বাড়ী। একজন রোহিঙ্গা হয়ে এতবড় আলিশান বাড়ী করলেও বন বিভাগ চুপ মেরে বসে রয়েছে। বর্তমানেও জিয়াবুল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার ইয়াবা পাচার করলেও উখিয়া থানা পুলিশের ভুমিকা রহস্যজনক বলে অভিযোগ উঠেছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের বলেন, সঠিক অভিযোগ পেলে ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত জিয়াবুল বলেন, আমি রোহিঙ্গা তবে বন বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে একটি বাড়ী তৈরি করেছি। কিন্তু আমি ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত নই।

Share this post

scroll to top