থাইংখালীর আকতার বেশভুষা পরিবর্তন করে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা

w-3.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

থাইংখালীর আকতার কাঠ মিস্ত্রি থেকে হঠাৎ ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হয়ে শূণ্যে থেকে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন। পরে ইয়াবা পাচারের সহজ কৌশল হিসাবে বেচেঁ নিয়েছেন মাছ ব্যবসা। এলাকাবাসীরা বলেন, রহমতেরবিল গ্রামের কানা রসুর ছেলে আকতার দীর্ঘ দিন ধরে চিংড়ী মাছ ব্যবসার আড়াঁলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড়ি হাড়ি ইয়াবা পাচার করে আসছে। এলাকায় আকতারের পরিবারটি ইয়াবা পরিবার হিসাবেও পরিচিত।
সম্প্রতি অর্থাৎ ২০১৭ ইং সালের শেষের দিকে উখিয়া থানার সাবেক সেকেন্ড অফিসার এস আই খাজা মাঈন উদ্দিন ও এস আই আলমগীর আকতারের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে আকতারের মজুদকৃত ১৪শ পিস ইয়াবাসহ বড় ভাই শামশুল আলমের স্ত্রী খালেদা বেগমকে আটক করে মাদক দ্রব্য আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। এসময় পুলিশি অভিযান টের পেয়ে ছিটকে পড়ে পুলিশি গ্রেপ্তার থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে আকতার। ২০১৭ ইং সালের মার্চ মাসে আকতারের অর্ধকোটি টাকার ইয়াবার চালান নিয়ে তার বড় ভাই রফিক উদ্দিন কালু ও ছেলে শাহজান কক্সবাজার ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়। ২০১৬ইং সালে আকতারের প্রায় ১০ হাজার পিস ইয়াবার চালান নিয়ে চট্রগ্রাম বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে আটক হয় তার বড় ভাই ফখরুদ্দিনের ছেলে হারুনুর রশিদ। উক্ত ইয়াবা আকতারের আমলনামা নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় আকতার প্রকাশ ইয়াবা আকতার ক্ষুব্দ হয়ে প্রতিবেদককে হাকাবাকা করছে বলে জানা গেছে।
শুধু তাই নয়, আকতার একজন দিন মজুর কাঠ মিস্ত্রি থেকে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে আজ নামে – বেনামে একাধিক গাড়ী বাড়ী ও অঢল সম্পদ গড়ে তোলার পাশা পাশি এলাকার নীরহ লোকজনকে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, দেশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানকে বৃদ্ধঙ্গুলি দেখিয়ে ও মাদক বিরোধী অভিযান থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সাধু সেজে কৌশলে সবজি বিক্রির পদ বেঁচে নিয়েছে বলেও জানা গেছে আকতার। তাই অতি শিঘ্রই ইয়াবা আকতারকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে এসে দেশকে মাদক ও কলংকমুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Share this post

scroll to top