ইনানী সী বীচএ অবৈধ দোকান পাট নির্মানের পায়তারা

11.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এলাকার একটি মহল প্রশাসনের কতিপয় আমলাকে ম্যানেজ করে কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ইনানী বীচের অবৈধ দোকান পাট নির্মানের পায়তারা চালাচ্ছে। এঘটনায় ইনানী বহুমূখী ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্ধুরা পর্যটন পরিবেশ সুরক্ষায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জালিয়াপালং ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত ইনানী সী বীচ ব্যবসায়ী বহুমূখী সমবায় সমিতি নিবন্ধিত ৮২ জন ব্যবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে ইনানী সী বীচ সংরক্ষন করে আসছিল। তৎকালিন বীচ ম্যানেজমেন্ট উপ কমিটির সভাপতি ইউএনও আহম্মদ শামিম আল রাজি উক্ত ব্যবসায়ীদের একটি রুচিসম্মত মাশরুম মার্কেট নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে উখিয়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে জমা প্রদান করার নির্দেশ দিলে ১৭ জন ব্যবসায়ী যতারিতি টাকা জমা দিয়ে ব্যাংকের রশিদ গ্রহন করেন।
ইতিমধ্য ইউএনও আহম্মদ শামীম আল রাজি অন্যত্রে বদলি হয়ে গেলে উখিয়ার ইউএনও হিসাবে যোগদান করেন গোলামুর রহমান। তিনি মাশরুম মার্কেট নির্মানে কালক্ষেপন করতে থাকলে ব্যবসায়ীরা নিজস্ব উদ্দেগে প্রায় শতাধিক দোকান নির্মান করে। ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছৈয়দ হোসেন জানান, তৎকালিন ইউএনও গোলামুর রহমান বীচের সোন্দর্য রক্ষার অজুহাত তোলে প্রায় শতাধিক দোকান পাট উচ্ছেদ করে ব্যবসায়ীদের প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতি সাধন হয়েছে মর্মে অভিযোগ তোলে ২০১০ সালে ১ ডিসেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করেন যার নং- ৭৬২/১০। আদালত ইনানী বীচের বিতর্কিত ২ একর ৪০ শতক জমির উপর স্থিতিবস্থা আদেশ জারি করেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইনানীর বীচ কর্মী বেলাল বহিরাগত ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ৩০ টি দোকান নির্মান করেন। এমতাবস্থায় সদ্য বিদায়ী ইউএনও মোঃ মাঈন উদ্দিন ব্যবসায়ীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওইসব দোকান পাট গুলো উচ্ছেদ করে দেন।
সরজমিন ইনানী বীচ ঘুরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, বীচ কর্মী বেলাল প্রশাসনের কতিপয় কর্তা ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে নতুন করে দোকান বরাদ্ধের তালিকা তৈরির ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ী দুপক্ষের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে। সী বীচ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্ধের অভিযোগ ২ একর ৪০ শতক জমির উপর আদালতের স্থিতিবস্থা বহাল আছে। সেহেতু উক্ত জমিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মান করা হলে রক্তক্ষয় সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এব্যাপারে বীচ কর্মী বেলালের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, ইনানী বীচে দোকান বরাদ্ধের ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

Share this post

scroll to top