সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনামানবপাচারকারী জালাল জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথার চুল উপড়িয়ে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনাকক্সবাজারে গণবদলির পর নতুন ওসি-এসআইসহ ৩৭ জনকে পোস্টিংকক্সবাজার থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১৩৪৭ সদস্য বদলিরোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী জাতীয় পত্র বানিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট, জড়িত শিক্ষক…নাফ নদীতে গোলাগুলি করে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারউখিয়ায় ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটকউখিয়ার চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার ঘটনার এক বছর

রাখাইনে রোহিঙ্গারা মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেছে

y.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেও রোহিঙ্গারা এতদিন মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেছে। মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গাদের যে বর্বরোচিত নির্যাতন নিপীড়ন ও হত্যাজজ্ঞ চালিয়েছে তা পৃথিবাীর ইতিহাসে নজিরবীহিন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে উখিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্টিত বলপ্রয়োগে বাস্তচ্যুত মিয়ানমার জনগোষ্টীর আগমনের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্টীর মাঝে এলপিজি বিতরন উদ্ধোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সম্প্রতি মিয়ানমার সফরকালে রাখাইন রাজ্যে ঘুরে দেখেছেন। ৭০ হাজার একর পুড়িয়ে দেওয়া রোহিঙ্গাদের বসতভিটা হাহাকার করছে। আকিয়াব মংড়ুসহ রাখাইন রাজ্যে যেসব হিংসাত্বক স্নৃতি বিজড়িত দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন তাতে বিশ্ব বিবেক নাড়া দেওয়ার কথা। তিনি বলেন, মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে গরু বেধে রাখা হয়েছে। এর চাইতে আর নেক্কারজনক ঘটনা কি হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে যে মানবিকতা দেখিয়েছে তার জন্য তিনি মাদার অব হিউমিনিটি খ্যাতাব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আহব্বানে রোহিঙ্গাদের মানবিক সেবায় দায়িত্ব পালনের জন্য এনজিও সংস্থা, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, রোহিঙ্গা শিশুরা কি অন্যায় করেছে। তাদেরকে কেন আগুনে নিক্ষেপ করে পুড়িয়ে মারা হল। এমন প্রশ্নের জবাবে মিয়ানমার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। অতচ রোহিঙ্গাদের রোহিঙ্গা বলেল মিয়ানমারের গা জ্বালা দিয়ে উঠে। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের কথা সমগ্র পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোকে অবহিত করেছে। কোন রাষ্ট্র মিয়ানমারের এমন হত্যাকান্ড ও নিপীড়নের পক্ষে সায় দেয়নি। তিনি ১৫ আগষ্টে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, জাতি আজ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধাভরে স্বরন করছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা যা কিছু করছি তা সরকারের পলিসি বাস্তবায়ন করছি। আমাদের জনগন অত্যান্ত ধৈয্যশীল ও মানবতাবাদী। রোহিঙ্গারা এখানে আশ্রয় নেওয়াতে স্থানীয়দের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ৫ হাজার একর বন ভুমি বিনষ্ট হয়েছে। গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার পর গাছের শেকড় শুদ্ধ তোলে ফেলা হয়েছে। পরিবেশের মারাত্বক বিপর্যয় হয়েছে। তাই জ্বালানির বিকল্প হিসাবে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। সভায় বক্তব্য রাখেন, শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, আইএমওর হেড ট্রানজিশন এন্ড রিকবারি গ্রীন সংযুক্তা, এফ এওর ইমারজেন্সি প্রোগ্রাম কর্ডিনেটর মিঃ প্রিটার এগ্রিউ, পরিচালক স্থানীয় সরকার চট্রগ্রাম দ্বীপক চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী। সভা শেষে প্রধান অতিথি আইএমও প্রদত্ত ৬শ ও এফ এ ও প্রদত্ত ৫শ এলপিজি বিতরন করেন। পরে প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এনজিও প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধু ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। পরে চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মন্নান কুতুপালং ডি- ৪ ব্লকে নব নির্মিত একটি ভবনের উদ্ধোধন করেন।

Share this post

scroll to top