উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া প্রাথমিক শিক্ষাঙ্গনে অশনি সংকেত

pic-1-5.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

স্কুল পরিচালনা কমিটির আধিপাত্য নিয়ে উখিয়ার উত্তর পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষাঙ্গনে নাজুক পরিস্থিতির কারনে পড়া লেখার উপর প্রভাব পড়তে পারে এমন আশংকা করছেন স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগি ব্যাক্তিবর্গ। এমনকি কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও উদ্ভেুাট পরিস্থিতির সমাধান দাবী করেছেন। এঘটনা নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দাবীদার উপজেলা প্রশাসনে পৃথক অভিযোগ করেছে।
গতকাল বুধবার দুপুর ২ টায় সরজমিন উত্তর পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায় দৃশ্যমান প্রাকৃতিক সৌন্দের্যে ভরপুর এ স্কুলে প্রায় ৪শতাধিক ছাত্র- ছাত্রী ও ৬ জন শিক্ষক রয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন জানান, ২০০৯ সালে সে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করার পর থেকে পিএসসি পরিক্ষায় এ প্লাসসহ শতভাগ ছাত্র ছাত্রী পাশ করে আসছে। বিদ্যালয়ের বিরোধ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক জানান, স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক গফুর উদ্দিন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দাবী করে আসছিল। কিন্তু কমিটির অন্যান্য সদস্যরা তাকে বাদ দিয়ে সাবেক সভাপতি মহি উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করায় ঘটনার সূত্রপাত হয়। তিনি বলেন, সম্প্রতি স্কুলের একটি গাছ রাতের আধাঁরে কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছে। এ ঘটনার অজুহাতে পূর্ব বিরোধকে কাজে লাগিয়ে গফুর উদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি অভিযোগ করেন। প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন আরো জানান, তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রতিপক্ষের মানহানিকর অপপ্রচার সম্পর্কিত ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশনসহ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট একটি অভিযোগ করেছেন। গফুর উদ্দিন নিজেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি দাবী করে সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, স্কুলের গাছটি প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন রাতের আধাঁরে কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের বরাদ্ধকৃত বিভিন্ন খাতের মোটা অংকের টাকা আতœসাত করেছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহি উদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ের আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষমহল প্রধান শিক্ষককে কেন্দ্র করে যে উদ্ভেুাট পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ে স্কুলের সর্বাঙ্গিক ক্ষেত্রে ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। স্কুলের পিটিআই সভাপতি ফজল করিম জানান, শিক্ষাঙ্গন নিয়ে কাদাছুড়াছুড়ি করার কারনে কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদের পড়া লেখার উপর প্রভাব পড়তে পারে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার ধর সাংবাদিকদের জানান, উত্তর পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে বিপক্ষে অভিযোগ সরজমিন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this post

scroll to top