চাকঢালায় সীমান্ত বাজার ও ঘুমধুমে স্থল বন্দর নির্মান হবে

on.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় অধিষ্টিত করার আহব্বান জানিয়ে নৌ- পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, নাইক্ষ্যংছুড়ির চাকঢালায় একটি সীমান্ত বাজার স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্য সীমান্ত বানিজ্যের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্য সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ঘুমধুমে স্থল বন্দর বাস্তবায়ন করা হবে। গতকাল শুক্কুরবার বিকাল ৪ টায় ঘুমধুম স্থল বন্দরের জন্য পূর্ব নির্ধারিত ৩২ একর জায়গা পরিদর্শন শেষে ঘুমধুম বেতবুনিয়াস্থ নির্মানাধীন মৈত্রিক সড়কের উপর অনুষ্টিত পথ সভায় নৌ – পরিবহন মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন আওয়ামীলীগ সরকার আবারো ক্ষমতায় অধিষ্টিত হতে পারলে ঘুমধুমের চিত্র পাল্টিয়ে দেবে। সীমান্ত এলাকা ঘুমধুম ইউনিয়ন একটি বানিজ্যিক এলাকায় পরিনত হবে। এখানকার বেকার যুবসম্প্রদায়ের চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি হবে। এলাকার হতদরিদ্র মানুষ স্থল বন্দরে কাজ করে স্বাবলম্ভি হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার মৈত্রী সড়কের কাজ সম্পন্ন হলে স্থল বন্দর নির্মানের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এব্যাপারে মিয়ানমারের সাথে চুক্তি সম্পন্ন হলেও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে আনুষ্টানিক ভাবে সম্মতি প্রদান না করায় স্থল বন্দরে প্রাথমিক কাজ হিসাবে জমি অধিগ্রহন শুরু করা যাচ্ছে না।
পথ সভায় পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি বলেছেন, ঘুমধুম ইউনিয়নে বসবাসরত জনসাধারনের সুবিধার্তে নাইক্ষ্যংছুড়ি থেকে সরাসরি পাহাড়ী এলাকা দিয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত সড়ক নির্মান কাজ শেষ হওয়ার পথে। এ সড়কটির নির্মান কাজ শেষ হলে নাইক্ষ্যংছুড়ি, ঘুমধুম সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হবে। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনার আহব্বান জানিয়ে বলেন, এ সরকার ঘুমধুমে যোগাযোগ ব্যবস্থার যে উন্নয়ন করেছে বিগত কোন সরকার তা পারেনি। এসরকারই পারবে ঘুমধুম ইউনিয়নের আপামর জনসাধারনের সামগ্রীক দৃশ্যমান উন্নয়ন সম্পন্ন করতে। পথ সভায় বক্তব্যকালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের চেয়ারম্যান তফন কুমার চক্রবর্তী বলেন, নাইক্ষ্যংছুড়ি চাকঢালা এলাকায় একটি সীমান্ত বাজার স্থাপনের উদ্বেগ নিয়েছে সরকার। সীমান্ত বাজার স্থাপন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরো উন্নয়ন হবে। এলাকার উৎপাদিত পন্য সামগ্রী বাজার জাতকরনের মাধ্যমে বসবাসরত বিশাল জনগোষ্টীর মধ্যে আর্থিক স্বচ্চলতা আসা অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাইক্ষ্যংছুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আফরিন কচি, নাইক্ষ্যংছুড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সফিউল্লাহ সফি, নাইক্ষ্যংছুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তছলিম ইকবাল চৌধুরী, ঘুমধুম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হারেছ চৌধুরী ও ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ।

Share this post

scroll to top