সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনামানবপাচারকারী জালাল জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথার চুল উপড়িয়ে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনাকক্সবাজারে গণবদলির পর নতুন ওসি-এসআইসহ ৩৭ জনকে পোস্টিংকক্সবাজার থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১৩৪৭ সদস্য বদলিরোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী জাতীয় পত্র বানিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট, জড়িত শিক্ষক…নাফ নদীতে গোলাগুলি করে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারউখিয়ায় ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটকউখিয়ার চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার ঘটনার এক বছর

উখিয়ায় মহা সড়কের পাশে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল

pic-1-2.jpg

রফিক উদ্দিন বাবুল উখিয়া ::

রোহিঙ্গা বসবাসের কারনে যেমনি ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যানবাহনের সংখ্যা তেমনি ভাবে বেড়েছে দাহ্য পদার্থ বিক্রির দোকান। অবৈধ উপায়ে পেট্রোল অকটেনসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপিত থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। প্রশাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে কক্সবাজার টেকনাফ মহা সড়কের পাশে বিভিন্ন মুদিও দোকান,গ্যারেজ ও পানের দোকানে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে দাহ্য পদার্থ। হাতের নাগালে পেট্রোল পাওয়ার কারনে নাশকতার কাজে ব্যবহ্নত হওয়ার পাশাপাশি যে কোন সময়ে বড় ধরনের অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, থাইংখালী, কুতুপালং, কোটবাজার ও মরিচ্যা এলাকায় ৪টি সরকার অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প থাকলেও অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে আরো শতাধিক পেট্রোল বিক্রির খোলা মেলা স্পট। এমনকি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক গড়ে উঠা বাজারে প্রায় মুদিও দোকানে ও রিক্সা, মোটর সাইকেল, যানবাহন গ্যারেজে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে বলে সিএনজি চালকেরা জানিয়েছেন। উখিয়ার সিএনজি সমিতিরি লাইনম্যান বদি আলম জানান, মহা সড়কের আশে পাশে খোলা বোতলজাত পেট্রোল বিক্রি হওয়াতে সিএনজি মাহিন্দ্রা, ডাম্পার, ভটভটি চালকেরা সেখান থেকে নিয়মিত পেট্রোল ক্রয় করছে। যদিও বা এসব পেট্রোল ততোদিক মানসম্মত নয়। ততাপিও চালকেরা তাদের প্রয়োজনের কারনে এসব পেট্রোল ক্রয় করছে বলে কয়েকজন মোটর সাইকেল চালক জানিয়েছেন।
খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার টেকনাফ সড়কের উখিয়া থেকে পালংখালী ষ্টেশনের আশে পাশে তল্লাশি চালালে প্রায় শতাধিক স্পট পাওয়া যাবে। যেখানে বেপরোয়া ভাবে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল , অকটেনসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। তাছাড়া ভালুকিয়া বাজার, সোনার পাড়া বাজার ও মনখালী ইনানী সহ বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে মুদির দোকানে পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সুশাষনের জন্য নাগরিক সুজন উখিয়া শাখার আহব্বায়ক নুর মোহাম্মদ সিকদার জানান, রোহিঙ্গা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহ্নত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে অবৈধ পেট্রোল বানিজ্য বেড়েছে আশংখ্যাজনক ভাবে। সড়কের পাশে ওয়ার্কশপেও পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। খোলা মেলা অবৈধ পেট্রোল বিক্রির কারনে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি এসব অবৈধ পেট্রোল বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।
পরিবেশ বাদী সংগঠনের নেতা কথা সাহিত্যিক কবি আদিল উদ্দিন চৌধুরী জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকে প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে। হাটবাজারে যে খানে সেখানে অবৈধ ভাবে বিক্রি করা খোলা মেলা ও বোতলজাত পেট্রোল অকটেন যাতে বিক্রি করতে না পারে সে ব্যাপারে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে এসব অকটেনের দোকান থেকে ঘটতে পারে অগ্নিকান্ড। যেহেতু, তারা পেট্রোল অকটেন সংরক্ষন ও বাজারজাত করনের নীতিমালা লঙ্গন করে অবৈধ ভাবে পেট্রোল অকটেনসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি করছে। যা নাশকতার কাজেও ব্যবহ্নত হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের অনুমোদনহীন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টান খোলা মেলা পেট্রোল বিক্রি করলে তা আইনত দন্ডনিয় অপরাধ যোগ্য। তিনি এব্যাপারে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহনে আশ^স্থ্য করেন।

Share this post

scroll to top