সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ বালি উত্তোলনের সরঞ্জমাধি উদ্ধারউখিয়ার ডেইলপাড়া করইবনিয়া এলাকা ইয়াবার জোওয়ারে ভাসছেউখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা ডন মীর আহম্মদ অধরাহাজীর পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী মীর আহম্মদকে ধরিয়ে দিনউখিয়ার নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ…থাইংখালী বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মাটিবর্তী ডাম্পার গাড়ী আটকজালিয়া পালংয়ে ছিনতাইকারীদের হাতে নিঃশ্ব হলেন খামার ব্যবসায়ী – আহত…উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী আলী আকবর বিদেশী মদসহ আটকউখিয়ার মুছারখোলা বিট কর্মকর্তা আবছারের নেতৃত্বে পাহাড় কাটা ও বালি…

ইনানীর পর্যটন পরিবেশের চরম অবনতি

pic-1-3.jpg

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী উখিয়া::

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের ইনানী পর্যটন পরিবেশের দিন দিন অবনতি হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্যুরিষ্ট পুলিশ না থাকার কারনে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারনে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন হ্নাস পাচ্ছে। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ইনানী সমুদ্র সৈকতে উপভোগ করারমত দৃশ্যমান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিদ্ধমান থাকলেও এসবের কোন উন্নয়ন হয়নি। উপরোন্ত যে যার ইচ্ছামতো প্রভাব খাটিয়ে যত্রতত্র দোকানপাট গড়ে তোলার কারনে মূখ থুবড়ে পড়েছে ইনানী বীচের সার্বিক পরিবেশ।
কনিবার সকালে ইনানী বীচ ঘুরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে প্রয়োজনের তুলনায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের অভাবজনিত কারনে টোকাই, ছিচকে চুর ও ছিনতাইকারীদের দৌরাতœ বৃদ্ধি পেয়েছে আশংকাজনক ভাবে। প্রতিনিয়ত ঘটছে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। যা পর্যটন এলাকার জন্য মোঠেই প্রযোয্য নয় বলে পরিবেশ বাদী সচেতন মহলের অভিযোগ। স্থানীয় ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, এখানে গড়ে উঠা দোকান পাট গুলোর কোন বৈধতা নেই। সরকার এখান থেকে কোন কানাকড়িও রাজস্ব পাচ্ছে না। ইনানী বহুমূখী সমবায় সমিতির সভাপতি ছৈয়দ হোসেন জানান, ইনানীর পর্যটন পরিবেশকে আকর্ষনীয় করে তোলার লক্ষে ২০১২ সালে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহম্মদ শামীম আল রাজি একটি মাশরুম মার্কেট নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা দোকানপাট উচ্ছেদ করে দেন। এসময় মাশরুম মার্কেট তৈরির জন্য দোকান বরাদ্ধ দেওয়ার আশ^স্ত করে উখিয়ার সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতিজন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা করে ১৭ জন ব্যবসায়ীকে সম্পৃক্ত করেন। পরবর্তীতে তিনি অন্যত্রে বদলি হয়ে যাওয়াতে কাঙিÍত মাশরুম মার্কেট গড়ার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়নি। ফলে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা অবৈধ ভাবে প্রায় শতাধিক দোকান পাট গড়ে তোলে পর্যটন পরিবেশের ভাবমূর্তি আরো ক্ষুন্ন করেছে বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ নাজিম উদ্দিন মেম্বার জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এখানে গণশৌচাগার ও পর্যটক মহিলাদের চেঞ্জিং কক্ষ না থাকার কারনে পর্যটকদের নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বীচে পর্যটকদের ছবি তোলার জন্য জেলা প্রশাসক থেকে অনুমতি নেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ ক্যামরাম্যানের বৈধতা নেই। মূলত তারাই ছবি তোলার নামে পর্যটকদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বীচের ইজারাদার মোঃ কায়সার জানান, তিনি শুধু মাত্র পর্যটকদের গাড়ী পার্কিংয়ের এজারা নিয়েছেন বটে। তবে টোল আদায়ের বেলায় প্রশাসনের বেধে দেয়া পরিমানের চাইতে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, ইনানী বীচে এলোমেলো ভাবে গড়ে উঠা দোকান পাট ইতিমধ্যে উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি যত দ্রুত সম্ভব ইনানী বীচের নান্দনিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ গ্রহনের আশ^স্ত করেন।

Share this post

scroll to top