সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনামানবপাচারকারী জালাল জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথার চুল উপড়িয়ে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনাকক্সবাজারে গণবদলির পর নতুন ওসি-এসআইসহ ৩৭ জনকে পোস্টিংকক্সবাজার থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১৩৪৭ সদস্য বদলিরোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী জাতীয় পত্র বানিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট, জড়িত শিক্ষক…নাফ নদীতে গোলাগুলি করে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারউখিয়ায় ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটকউখিয়ার চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার ঘটনার এক বছর

উখিয়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কষ্টের জীবন

কায়সার হামিদ মানিক উখিয়া ::

আর্থিক দৈন্যদশায় কষ্টের জীবনযাপন করছে উখিয়ার অর্ধশত গ্রামপুলিশ। প্রতিনিয়ত ধাপে ধাপে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও বাড়েনি গ্রাম পুলিশের বেতনভাতা। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নিয়ন্ত্রণসহ চোর, ডাকাত, ইয়াবা ও চোরাচালান প্রতিরোধে এসব গ্রাম পুলিশেরা যথাযথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও তারা ঝুঁকি ভাতা পারছে না। এসব গ্রাম পুলিশের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আনুসাঙ্গিক ভাতা সহ ঝুঁকিভাতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উখিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার ৫টি ইউনিয়নে ৪৪ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য একজন মহিলা ও ৫ জন দফদার রয়েছে। যাদেরকে ৭১ ধরনের সেবামূলক ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিন রাত ২৪ ঘন্টা কাজ করতে হয়। ৫নং পালংখালী ইউনিয়নের চৌকিদার রফিক উদ্দিন জানায়, মিয়ানমার সেনাদের বিতাড়িত বেশির ভাগ রোহিঙ্গা পালংখালী বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে এদেশে প্রবেশ করেছে এবং এসব রোহিঙ্গা পালংখালী ইউনিয়নে বসবাস করছে। শুরুতেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় খাদ্য, চিকিৎসা সেবাসহ সার্বিক সহায়তায় গ্রাম পুলিশের উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অথচ তারা সরকারি, এনজিও সংস্থা বা কোন দাতা সংস্থা থেকে এ পর্যন্ত সহায়তা পায়নি।
একই এলাকার দফদার রশিদ মিয়া জানান, রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া আচরণ নিয়ে গ্রামবাসী অসন্তোষ্ট। যা নিয়ে প্রতিনিয়ত অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হওয়ার কথা। একমাত্র গ্রাম পুলিশ তাদের সমস্যা সমাধান করে ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের সমন্বয় করছে। গ্রামে গ্রামে প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাই ও ইয়াবার আগ্রসন বাড়লেও আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয় এমন পরিস্থিতি গ্রাম পুলিশ স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় শক্ত হাতে দমন করেছে। অপরাধীদের তাৎক্ষনিক ভাবে থাকা পুলিশের হাতে সোপর্দ্দ করায় এখনো পর্যন্ত পালংখালী এলাকায় বড় ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অথচ মান্দাতার আমলে সরকারের বেঁধে দেওয়া ৩ হাজার টাকা বেতন নিয়ে উখিয়ার অর্ধশত চৌকিদার, দফদার পরিবারের জীবন চলছে আর্থিক দৈন্যদশায়। অনেকে পরিবারে নুন আনতে পান্তা পুরায় এমন পরিস্থিতিতেও সরকারের দেওয়া দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করছে। রাজাপালং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আবুল মনজুর জানান, তাদেরকে যে ভাতা দেওয়া হচ্ছে তা দিয়ে ৭ দিনও পরিবারের ভরণপোষণ চলবে না। আবার ওই বেতন ভাতা নিতেও উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদে ধর্ণা দিতে হয়। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান জানান, এসব চৌকিদার দফদাররা যেন কিছু সহায়তা পায় সেজন্য এনজিওদের সাথে কথা বলতে হবে।

Share this post

scroll to top