ইয়াবা মাহমুদুল হকের কবল থেকে রক্ষা পায়নি বড় ভাইয়ের সংসার

77-2.jpg

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী উখিয়া ::

বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের খবর সর্বত্রে ছড়িয়ে পড়লে আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা উখিয়া সীমান্তের ইয়াবা জগতের কিং দোছড়ি গ্রামের হাজী আলী আহম্মদের ছেলে মাহমুদুল হক প্রকাশ ইয়াবা মামুদুল হক আত্নগোপনে চলে যায়। আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তৎপর হওয়ার সুযোগে মাহমুদুল এলাকায় প্রকাশ্যে হয়ে ইয়াবা পাচারে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
সূত্রে জানা যায়, হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে মাহমুদুল হক পরিবারের হাল ধরতে ২০১২ সালে উখিয়াস্থ বিকাশ এজেন্ড অফিসে ৫ হাজার বেতনের এস আরের চাকুরী করে কোন রকম পরিবারে জোগান দিয়ে আসতো। সে বিকাশের এস আর থাকা অবস্থায় থাইংখালী সীমান্ত এলাকার বদরুদৌজার ছেলে কলিমুল্লা লাদেনের সাথে গড়ে উঠে সু সম্পর্ক। তখন থেকে অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার মিশন নিয়ে এলাকায় বৃহত্তর সিন্ডিকেট তৈরি করে নেমে পড়েন মাদক ব্যবসায়। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড়িহাড়ি ইয়াবা পাচার করে রাতারাতি কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হয়ে একাধিক গাড়ী ও উখিয়ার হাসপাতাল সড়ক সংলগ্ন এলাকাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে নামে বেনামে ক্রয় করেছে অঢল সম্পক্তি। গড়ে তোলেছেন ইয়াবার কালো টাকার পাহাড়। উক্ত কালো টাকার পাহাড় দিয়ে উখিয়া মসজিদ মার্কেট থেকে দুটি দোকান ভাড়া নিয়ে মোবাইল ও বিকাশ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সে  ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলার পর থেকেেএলাকায় নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে   পড়ে একের পর এক সংসার ভাঙ্গতে শুরু করার পাশাপাশি সর্ব শেষ তার আপন বড় ভাইয়ের সংসারটি  ঘিলে খেয়েছে। শুধু তাই নয়, তার ইয়াবার কালো টাকা সাদা করতে এক কথিত দালালকে হাতে নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কথিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা যায়। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অতি শিঘ্রই ইয়াবা মাহমুদুল হককে গ্রেপ্তার পূর্বক ক্রস ফায়ারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ৭ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Share this post

scroll to top