সংবাদ শিরোনাম

উখিয়ার মধুরছড়ায় প্রবাসী শাহজানের বহুতল ভবন নির্মান

pic-1-3.jpg

মাহমুদুল হক বাবুল উখিয়া ::

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তচ্যুত প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা ৫ হাজার একর বনভুমিতে আশ্রয় নেওয়ার পরেও প্রায় ১০ হাজার একর বনভুমি রয়েছে। যেসব বনভুমি সংরক্ষন করার দায়িত্বভার ন্যাস্ত রয়েছে বনবিট কর্মকর্তার উপর। অথচ বনবিট কর্মকর্তা শতশত একর বনভুমি দখল হস্তান্তর করে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুতে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
শনিবার ঘটনাস্থল উখিয়া সদর বিটের আওতাধীন মধুরছড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫ একর বনভুমির উপর আম কাঠাল গাছ লাগানো হয়েছে। এনজিও নির্মিত সড়কের পাশে বহুতল ভবন নির্মানের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে ইটের গাথুনি দেওয়া শুরু করেছে। এসময় সাংবাদিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করে শ্রমিকেরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, শীলের ছড়া গ্রামের মৃত আলী মদনের ছেলে সৌদি প্রবাসী শাহজান এই ভবনটি নির্মান করছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে সেখানে প্রায় ৫০টিরও অধিক পাকা স্থাপনা তৈরি করা হয়েছিল। যেসব স্থাপনাকে জঙ্গি আস্তানা মনে করে কক্সবাজার বন বিভাগের নেতৃত্বে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে উক্ত জঙ্গি আস্তানা উচ্ছেদ করে। এসময় বন রেঞ্জে দায়িত্বরত রেঞ্জ কর্মকর্তা ইব্রাহিম হোসেন ও বনবিট কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে চাকুরী থেকে সাময়িক বরকাস্ত করা হয়।
একই জায়গার উপর আম কাঠাল বাগান ও তৎসংলগ্ন বহুতল ভবন নির্মানের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বাগান মালিক সৌদি প্রবাসী শাহজান জানান, সে দীর্ঘ দিন প্রবাসে দিন যাপন করেছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে আরাম আয়েশে বাকী দিন ঠুকু কাটানোর জন্য ভবনটি নির্মানের কাজ শুরু করা হয়েছে।প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, গত শুক্রবার জুমার আগে বিট কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও মামলা করার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চলে আসে। এ ঘটনার সত্যতা জানতে বন বিট কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সাথে কথা হলে সে স্থাপনা নির্মানের সত্যতা স্বীকার করলেও টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

Share this post

scroll to top