সংবাদ শিরোনাম

কুতুপালং ক্যাম্পে ব্র্যাক কর্মীদের উপর রোহিঙ্গার হামলা – গাড়ী ভাংচুর

download-1-1.jpg

কায়সার হামিদ মানিক উখিয়া ::

কুতুপালং ক্যাম্পে রেজিষ্ট্রার্ড রোহিঙ্গারা অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে ব্র্যাক কর্মীদের মারধর করে ও তাদের ব্যবহ্নত গাড়ী ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে কুতুপালং এফ ব্লকের মাথায় ১৬ নাম্বার শেডের সামনে এঘটনাটি ঘটে। এসময় রোহিঙ্গারা মারমূখী অবস্থান নিয়ে ব্র্যাক কর্মীসহ স্থানীয়দের উপর হামলা করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠে। পরে সেনা সদস্য, পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্যাম্প ইনচার্জেও মিলানয়তনে ব্র্যাক কর্মকর্তা, বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তা ও রেজিষ্ট্রার্ড রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে ক্যাম্প ইনচার্জের বৈঠক চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, উখিয়া টেকনাফে ১৯৯২ সালে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩০ হাজার রেজিষ্ট্রার্ড রোহিঙ্গা ১ নভেম্বর থেকে ইউএনএইচ সি আরের প্রদত্ত ত্রান সামগ্রী গ্রহন করছেনা। এমনকি তাদের ছেলে মেয়েদেরকেও স্কুলে পাঠাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে রেজিষ্ট্রার্ড ক্যাম্পের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম জানান, তারা ক্যাম্প ইনচার্জকে ৫ দফা দাবী উত্তাপন করেছিলেন। তৎমধ্যে রোহিঙ্গা সমস্যা চিরস্থায়ী সমাধান, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের এমআরসি পরিবর্তন না করা, সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ও উন্নত জীবন যাপনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করা। এসব বিষয় নিয়ে ইউএনএইচ সি আরের সাথে নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ইউএনএইচ সি আরের এক কর্মকর্তা জানান, তারা প্রত্যাবাসন বিরুধীকর্মকান্ডে অবস্থান নিয়ে ইউএনএইচ সি আর ও ব্র্যাক কর্মকর্তাদের সরকারের দালাল আখ্যায়িত করে বিভিন্ন অপপ্রচার ও প্রভাকান্ড শুরু করে। এ ঘটনার সূত্র ধরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গারা সোমবার বিকালে ব্র্যাকের গাড়ী বহরে হামলা চালায় এবং ব্র্যাকের ব্যবহ্নত গাড়ী ভাংচুর করে। এঘটনা নিয়ে কুতুপালং ক্যাম্পে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান, ব্র্যাক কর্মকর্তা কর্মচারী ও নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝির কারনে অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে। ক্যাম্প ইনচার্জের কার্যালয়ে উভয় পক্ষদের নিয়ে বৈঠক করে ঘটনার সুষ্ট সমাধান দেওয়া হয়েছে।

Share this post

scroll to top