ঘুমধুমে পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত – হেমলাল অধরা

pic-1-2.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার পাশর্^ভর্তি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবনিয়ায় পাহাড় কাটতে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা শিবিরের জি ১ ব্লকের এক রোহিঙ্গা যুবক ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। রোববার ভোর রাতে কচুবনিয়া বড়–য়া পাড়া এলাকায় এ নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে বলে কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের লম্বাশিয়া ক্যাম্পের মাঝি মাহমুদুল্লাহ জানিয়েছেন। সে কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের জাহিদ হোসনের ছেলে মোঃ নুর কাশেম (২৮)। খবর পেয়ে ঘুমধুম পুলিশ ও উখিয়ার ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে মাটি চাপা থেকে ওই রোহিঙ্গা যুবকের লাশ উদ্ধার করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা জানান, ঘুমধুম কচুবনিয়া বড়ুয়া পাড়া গ্রামের মৃত ললক বড়ুয়ার ছেলে এলাকার চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও মাটি পাচারকারী হেমলাল ও আপন বড়য়া স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের আধারে প্রতিনিয়ত সরকারি বন ভুমির পাহাড় কেটে মাটি পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল । প্রতিদিনের ন্যায় রোববারও স্বল্প বেতনে রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে পাহাড় কাটার সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে নুর কাশেম নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তারা আরো জানান, হেমলাল স্থানীয় ইউপি সদস্য সুবত মেম্বারের মেয়ের জামাই হওয়াতে তার বিরুদ্ধে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পাইনা। নিহত যুবকের বাবা জাহিদ হোসেন জানান, তার ছেলে নুর কাশেম মাটি কাটতে যাচ্ছিলনা, তার ছেলেকে হেমলাল বড়–য়া জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তোলে নিয়ে গিয়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইমন চৌধুরী জানান, লাশ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, এব্যাপারে মাটি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করা হবে।

Share this post

scroll to top