সোনার পাড়ায় মজিবুল হকের নেতৃত্বে মানব পাচার ফের চালু

ukhiya-1-1.jpg

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী উখিয়া ::

উখিয়ার উপক’লীয় সাগর পথে মানব পাচার উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত সোলতান আহম্মদের পুত্র থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ার গহীন অরণ্যের অস্থায়ী কারাগার নিয়ন্ত্রক অসংখ্য অভিবাসীদের হত্যাকারী নামে পরিচিত মজিবুল হকের নেতৃত্বে ফের চালু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত মানব পাচারকারীর শীর্ষ গডফাদার মজিবুল হককে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিকট ধরিয়ে দিয়ে দেশ তথা দেশের ছাত্র ও যুবসমাজকে পাচার কার্যক্রম থেকে রক্ষা করা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব। দেশ ও জাতির শক্রদের এদেশে থাকার কোন অধিকার নেই বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আজ থেকে ১০ বছর আগেও মজিবুল হক সাগরে জেলের কাজ করে সংসার জীবন চালিয়ে আসতো। সে মাছ ধরার পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ার শীর্ষ মানব পাচারকারীদের সাথে শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অভিবাসীদেরকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তাদেরকে থাইল্যান্ড অস্থায়ী কারাগারে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালিয়ে তাদের স্বজনদের নিকট থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় তাদেরকে মালেশিয়া বর্ডারের কাছে মালেশিয়া ভিত্তিক দালালদের নিকট হস্তান্তর করতো। সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যখন মানব পাচার বন্ধে কঠুর অবস্থানে তখন গ্রেপ্তার এড়াতে তাদের বসবাস ছিল শুধু বনে জঙ্গলে। সূত্র মতে, মানব পাচার সড়ক যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন মানব পাচারের কালো টাকার পাহাড় নিয়ে নেমে পড়েন এদেশের ছাত্র ও যুবসমাজ ধ্বংসকারী মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে। গড়ে তোলেন বৃহত্তর সিন্ডিকেট। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা। নামে বেনামে ক্রয় করেছেন অঢল সম্পদ। কিন্তু দেখার কেউ নেই। তাই স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী, অতিশিঘ্রই ইয়াবা মজিবুল হককে গ্রেপ্তারে র‌্যাব ৭ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে এসে সমাজের শান্তিশৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ জানান তারা। এব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের, মানব পাচারকারী গডফাদার সে যত বড়ই ক্ষমতাধর হোক না কেন, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Share this post

scroll to top