সোনার পাড়ায় আব্দুল্লার নেতৃত্বে মানব পাচার ফের সক্রিয়

oo.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

মালেশিয়া ও বাংলাদেশ ভিত্তিক সাগর পথে মানব পাচার ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। উক্ত মানব পাচার মালেশিয়া ও বাংলাদেশের উপক’লীয় অঞ্চল নিয়ন্ত্রন করছেন উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত রশিদ আহম্মদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত মানব পাচারকারী ও মানব পাচার আইনে একাধিক মামলার আসামী আব্দুল্লাহ বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তৎপরতার ফলে সাগর পথে মানব পাচার প্রায় ১ বছর বন্ধ ছিল। প্রশাসনের নিস্কৃতার ফলে সম্প্রতি মানব পাচার ফের চালু হয়েছে জানা গেছে।
সরজমিন ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত রশিদ আহম্মদের ছেলে আব্দুল্লাহ মালেশিয়া ভিত্তিক শীর্ষ মানব পাচারকারী রোহিঙ্গা মাহবুব আলমের সাথে দীর্ঘ দিন সাগর পথে মালেশিয়া মানব পাচার করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করার পাশাপাশি তার পরিবারের সাথে গভীর সর্ম্পক গড়ে তোলে রোহিঙ্গা দালাল মাহবুব আলমের বিবাহিত রোহিঙ্গা নারী কে বিয়ে করে সংসার জীবন চালিয়ে যাচ্ছে। তারই সূত্র ধরে মালেশিয়া ও বাংলাদেশ ভিত্তিক সাগর পথে মানব পাচারের বৃহত্তর সিন্ডিকেট গড়ে তোলে শালা দুলা ভাই মানব পাচার কার্যক্রম ফের শুরু করেছে বলে জানা গেছে। উক্ত মানব পাচারকারীর শীর্ষ গডফাদার আব্দুল্লাহকে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিকট ধরিয়ে দিয়ে দেশ তথা দেশের ছাত্র ও যুবসমাজকে পাচার কার্যক্রম থেকে রক্ষা করা আপনার আমার সকলের দায়িত্ব। দেশ ও জাতির শক্রদের এদেশে থাকার কোন অধিকার নেই বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আজ থেকে ৮ বছর আগেও আব্দুল্লাহ সাগরে জেলের কাজ করে সংসার জীবন চালিয়ে আসতো। সে মাছ ধরার পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও মালেশিয়ার শীর্ষ মানব পাচারকারী রোহিঙ্গা মাহবুব আলমের সাথে শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অভিবাসীদেরকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তাদেরকে থাইল্যান্ড অস্থায়ী কারাগারে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালিয়ে তাদের স্বজনদের নিকট থেকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় তাদেরকে মালেশিয়া বর্ডারের কাছে মালেশিয়া ভিত্তিক দালালদের নিকট হস্তান্তর করতো। সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যখন মানব পাচার বন্ধে কঠুর অবস্থানে তখন গ্রেপ্তার এড়াতে তাদের বসবাস ছিল শুধু বনে জঙ্গলে। তাই স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী, অতিশিঘ্রই আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তারে র‌্যাব ৭ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে এসে সমাজের শান্তিশৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য অনুরোধ জানান তারা। এব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের, মানব পাচারকারী গডফাদার সে যত বড়ই ক্ষমতাধর হোক না কেন, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Share this post

scroll to top