উখিয়ায় সরকারি বনভুমি লুটপাটকারীর আরেক নাম দাড়ী ভুট্রো

pic-a-5.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

দেশের বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলার অন্যতম আসামী কর্তৃক সরকারি বন ভুমির জায়গা দখল করে প্রায় দুই শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মান পূর্বক ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিন কুতুপালং টিভি টাওয়ার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং পূর্ব পাড়া গ্রামের মৃত জাফর আলমের ছেলে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলার আসামী নুরুল কবির প্রকাশ দাড়ী ভুট্রোর নেতৃত্বে সরকারি বনভুমির কোটি কোটি টাকার সম্পদ লুন্ঠন করার দৃশ্য।
স্থানীয় মোঃ শাহজান জানান, গত ২৫ আগষ্ট ২০১৭ ইং মিয়ানমার নাসাকা ও জান্তা বাহিনীর হাতে নির্মম নির্যতন ও নিপীড়নের শিকার হয়ে বস্তচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে সু কৌশলে অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ভুট্রো বাহিনী স্থানীয় বন বিট কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নামধারী গুটি কয়েক দালালদের ম্যানেজ করে টিভি টাওয়ার এলাকার সবুজ বেষ্টিত সামাজিক বনায়নের গাছপালা নিধন পূর্বক সরকারি বনভুমির জায়গা দখল করে প্রায় দুইশতাধিকের অধিক দোকানপাট নির্মানের পাশাপাশি আলিশান স্থাপনা নির্মান করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নানা অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় আবুল হোসেন জানান, ভুট্রো বাহিনীর প্রধান ভুট্রো বর্তমানে মিয়ানমার ভিত্তিক ইয়াবা আরদদারদেরকে তার ভাড়া বাসায় আশ্রয় দিয়ে তাদের সাথে শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড়িহড়ি ইয়াবা পাচার করে গড়ে তোলেছে কালো টাকার পাহাড়। কিন্ত দেখার কেউ নেই। অভিযুক্ত ভুট্রোর নিকট জানতে চাইলে, সে সরকারি বনভুমিতে স্থাপনা ও রোহিঙ্গা যুবক হত্যার কথা স্বীকার করলেও ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অতি শিঘ্রই ভুট্রোকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ৭ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ ব্যাপারে, উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের তদন্তপূর্বক চিহ্নিত অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top