সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে রোহিঙ্গাদের বিশাল বহররামু সেনানিবাসে ৪ ইউনিটের পতাকা উত্তোলন করলেন সেনা প্রধানউখিয়ায় একাধিক মামলার আসামি রফিকুল হুদা আটক২ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমারের ৭ নাগরিক আটককক্সবাজার সড়কে বাস ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬নাইজেরিয়ায় ১১০ কৃষকের গলা কেটে বর্বর হত্যাকাণ্ডউখিয়া প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রার্থীদের তালিকা চুড়ান্ত, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অজগর সাপ উদ্ধারউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে ৪টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও ১৪টি…রোহিঙ্গা সুরক্ষায় নির্দেশনা অনুযায়ী আদালতে মিয়ানমারের দ্বিতীয় প্রতিবেদন

উখিয়ায় পাহাড় কাটাঁর তান্ডব অপ্রতিরোধ্য।

pic-a.jpg

মাহমুদুল হক বাবুল উখিয়া::

উখিয়ায় আশ্রিত ৭ লাখ রোহিঙ্গার মানবিক সেবার কারনে যেভাবে কর্মজীবির সংখ্যা বাড়ছে, সে তুলনায় ভাড়া বাসা অপ্রতুল। বানিজ্যিকভাবে ভাড়া বাসা তৈরির জন্য অন্যতম উপকরন মাটি বালির চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুন। বনভূমির পাহার কেটেঁ মাটির যোগান দেওয়ার জন্য মানুষ হন্য হয়ে উঠেছে। মানা হচ্ছে না বন বিভাগ ও প্রশাসনের বিধি নিষেধ। বুধবার রাতে হলদিয়া বাইন্যা পাড়া এলাকায় ১০/১২টি ডাম্বার গাড়ি যোগে শত শত শ্রমিক পাহার কাটাঁর সময় পুলিশ ও ভূমি প্রশাসন অর্তকিতভাবে হানা দিয়ে মাটি ভর্তি ৫টি গাড়ি ও পাহাড় কাটাঁর নেতৃত্বদানকারী ৫জন পাহাড় খেকো দুর্বৃত্তকে আটক করেছে।

প্রাপ্ত সূত্র মতে, পাহাড় কেটে মাটির শ্রেনি পরিবর্তন করার প্রবনতা যুগ যুগ ধরে চলে আসলেও তা চোখে পড়ার মত নয় বলে খোত বনকর্তা ব্যক্তিদের অভিমত। ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্টের পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা আশ্রয় শিবির নির্মানের জন্য প্রধান মন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তৎকালী তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুতুপালং ক্যাম্প পরির্দশ করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান নেওয়ায় রোহিঙ্গাদের পুর্নবাসন করার জন্য ৫ হাজার একর বনভূমির জমি বরাদ্ধ দেওয়ার ঘোষনা দিলে পাহার কেটে মাটির শ্রেনির পরিবর্তনের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় রোহিঙ্গা ও তাদের মানবিক সেবায় নিয়োজিত দেশী বিদেশী এনজিওদের সেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য থাইংখালী, পালংখালী, তাজনিমার খোলা, ময়নার ঘোনা, কুতুপালং, লম্বাশিয়া এলাকায় প্রায় শতাধিক পাহাড় কেটেঁ শ্রেনি পরিবর্তন করা হয়।

এনজিও কর্মীদের থাকা খাওয়া ও পরিবেশ সম্মত ভাড়া বাসা সংকটের সুযোগ নিয়ে এলাকার অধিকাংশ স্থানীয় পরিবার ও প্রভাবশালী মহল বনভূমির পাহার কেটে শ্রেনি পরিবর্তনের মাধ্যমে বানিজ্যিকভাবে ভাড়া বাসা তৈরি অবহ্যত রাখায় উখিয়ার বনভুমির পাহাড় নিশ্চিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে পরিবেশবাদি সচেতনমহলের অভিযোগ। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর চৌধুরী জানান, পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের মত অনৈতিকতায় বাধাঁ দেওয়া তাকে অনেক ঝড় ঝাপটা ভোগ করতে হয়েছে। তাই তিনি এ নিয়ে আর মাথা ঘামাচ্ছেন না। উপজেলা বন রেঞ্জ কর্মকর্তা তরিকুর রহমান জানান যেভাবে পাহাড় কেঁেট বাসা বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে তারা ঐ সমস্ত অবৈধ স্থাপনা মালিকদের একটি তালিকা তৈরি করে উচ্ছেদ অভিযানের আওতায় আনার জন্য কক্সবাজার বিভাগীয় বনকর্মকর্তার বরাবরে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন বনভূমি দখল করে ভাড়া বাসা তৈরির ফলে সামাজিক বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। থানায় মামলা দায়ের করেও বনভূমি দখল থামানো যাচ্ছে না। কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কামরুল হাসাান জানান নির্বিচারে পাহার কর্তন বনসম্পদ ধ্বংসের কারনে জীব বৈচিত্র অস্থিত্ব সংকটে। পরিবেশের দিন দিন অবনতি হচ্ছে। উখিয়ার সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান। পাহাড় কাটাঁর অপরাধে ৫টি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৫জনকে। উখিয়ার থানার এস.আই হান্নান জানান আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতে সোপার্দ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি মৌলভী পাড়া গ্রামের তোফায়েল আহম্মেদকে ২ মাস, নুরুল ইসলাম কে ১৫দিন, সৈয়দ আলমকে ২ মাস, শহিদুল আলমকে ২ মাস ও নুরুল হাকিমকে ২ মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে।

Share this post

scroll to top