থাইংখালীর লাদেনকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা পাচারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

8-3.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়া টেকনাফ সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবাকারবারী লাদেনকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা পাচারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
জানা গেছে, সীমান্তের পালংখালী ইউনিয়নের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের জনক হিসাবে পরিচিত থাইংখালী রহমতেরবিল গ্রামের বদরদৌজার ছেলে কলিমুল্লাহ প্রকাশ লাদেন চলমান মাদক বিরোধী অভিযানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বিঘ্নে লাখ লাখ পিস ইয়াবা পাচার করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হয়ে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লাদেন দীর্ঘ দিন ধরে পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারের ইয়াবা আরদদারদের সাথে গভীর সখ্যতা গড়ে তোলে রহমতেরবিল ও ধামনখালী সীমান্ত এলাকা দিয়ে হাড়িহাড়ি ইয়াবা এদেশে নিয়ে এসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঢাকায় ইয়াবা বিতরনের কাজে নিয়োজিত লাদেনের ছোট ভাই আমিনের নিকট ইয়াবার চালান গুলো হস্তান্তর করত। আমিন ইয়াবা গুলো ঢাকার চিহ্নিত ইয়াবা গডফাদারদের নিকট বিতরন করত। রহমতেরবিল গ্রামের সোহেল জানান, সম্প্রতি লাদেনের কোটি টাকার ইয়াবার চালান নিয়ে ছোট ভাই আমিন ঢাকাস্থ ডিএমপি পুলিশের হাতে আটক হয়ে বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলরা জানান, কলিমুল্লাহ লাদেন ইয়াবা ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সে বিএনপির চিহ্নিত একজন ক্যাডার। তার বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী আন্দোলন, গাড়ী ভাংচুর, নাশকতা ও মাদক মামলাসহ একাধিক মামলাও বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে। শুধু তাই নয়, কলিমুল্লাহ লাদেন সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যুকে পুজি করে থাইংখালী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় দিয়ে আলিশান ভবন নির্মান করলেও দেখার কেউ নেই। সচেতন মহলরা আরো বলেন, শিঘ্রই কলিমুল্লাহ লাদেনকে গ্রেপ্তার পূর্বক ক্রসফায়ারের আওতায় নিয়ে এসে এলাকার শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য র‌্যাব ৭ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যতায় কলিমুল্লাহ লাদেনের মাদকের ভয়াল থাবা থেকে এলাকার উঠতি বয়সী ছাত্র ও যুবসমাজকে কখনো রক্ষা করা সম্ভব হবেনা। এব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।

Share this post

scroll to top