সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনামানবপাচারকারী জালাল জুতার মালা ও কোদাল দিয়ে মাথার চুল উপড়িয়ে…থাইংখালীতে সরওয়ারের নেতৃত্বে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে স্থাপনাকক্সবাজারে গণবদলির পর নতুন ওসি-এসআইসহ ৩৭ জনকে পোস্টিংকক্সবাজার থেকে শীর্ষ কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১৩৪৭ সদস্য বদলিরোহিঙ্গাদের বাংলাদেশী জাতীয় পত্র বানিয়ে দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট, জড়িত শিক্ষক…নাফ নদীতে গোলাগুলি করে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারউখিয়ায় ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটকউখিয়ার চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডার ঘটনার এক বছর

দেশে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর জায়গা হবে না: টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

asas-300x170.png

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

বাংলাদেশে কোনো মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবককে অ্যালাও করা হবে না। এতে যতো কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় করবেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী দেশের ভবিষতের ক্ষতি, দেশের ক্ষতি। তবে শুধুই যে দেশের ক্ষতি এমন না। যারা মাদক সেবন করেন, তাদের বউ চলে যাচ্ছেন, যে বোনরা সেবন করছেন তাদের স্বামী থাকছেন না।’

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী বা সেবকরা কোনোভাবেই নিস্তার পাবে না। প্রথমে বিজিবির হাতে পড়বেন। না পড়লে র‍্যাবের হাতে, তারপরও না হলে পুলিশ আপনাদের ধরবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০৪১ সালের স্বপ্ন পূরণ করতে বাধা যদি মাদক হয়, তাহলে মানতে পারবো না। খুঁজে খুঁজে একটা একটা করে বের করে আনবো।’

মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার আর আমাদের সীমান্ত দিয়ে মাদক ব্যবসা করতে পারবে না। আমরা আমাদের সীমান্তকে মাদকের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে দিবো না।’

এ সময় ১০২ আত্মসমর্পণকারীকে ধন্যবাদ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আত্মসমর্পণে অংশগ্রহণ করা কারবারিরা সাড়ে তিন লাখ পিস ইয়াবা, ৩০টি দেশীয় এল.জি, ৭০টি তাজা কার্তুজ হস্তান্তর করেন।

অন্যদিকে সভাপতির বক্তব্যে কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, সারাদেশে প্রবেশ করা মাদকের অধিকাংশ আসে টেকনাফের পথ ধরে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে কিছু লোক রাতারাতি ধনী হয়ে যায়। গত বছর থেকে এ জেলায় এক হাজার ৪৪১ মামলায় এক হাজার ৫৮৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’

‘এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে ৫৩ জন নিহত হন। কিন্ত এখন মনে করছি, মাদক নির্মূল করতে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। তার অংশ হিসেবে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।’

চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘গত এক বছর ধরে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যুদ্ধ করছে।’

‘যারা আত্মসমর্পণ করেন নাই, আপনাদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। আপনারা নিজ বাড়িতে ঘুমাতে পারবেন না। আপনাদের নাফ নদীতে গিয়ে ঘুমাতে হবে। তাই বলছি, যারা আত্মসমর্পণ করেন নাই, তারা আত্মসর্মপণ করার প্রস্তুতি নেন।’

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহীন আক্তার বলেন, ‘মাছ ধরতে না পেরে মাদক ব্যবসায় নেমেছেন কারবারিরা। আমি তাদের মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করছি। মাদক নির্মূলে মিয়ানমার সীমন্তে কাঁটা দে

Share this post

scroll to top