উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নৈরাজ্যকর পরিবেশ

0-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

প্রায় ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার অস্থায়ী বসবাস উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে চলমান নৈরাজ্যকর পরিবেশ স্থানীয় আড়াই লক্ষাধিক মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপহরন, খুন, ঘুম, গ্রামবাসীদের উপর হামলা, মারধর, স্থানীয়দের দীর্ঘ দিনের ভিটে মাটি দখল ক্যাম্পে মাদক বিক্রি ও লেনদেনসহ ইয়াবা উদ্ধার করতে গিয়ে রোহিঙ্গা নারীরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বাধা প্রদান করে হামলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আশ্রিতা রোহিঙ্গাদের এমন অস্বাভাবিক আচরনে ক্ষুদ্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিভিন্ন শ্রেনি পেশার লোকজন।
সরজমিন কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প ঘুরে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গার সাথে কথা বলে জানা যায়। লম্বাশিয়া গ্রামের হত দরিদ্র স্থানীয় বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলাম প্রকাশ ফকির আহম্মদের ছেলে দিলদার মিয়ার সৃজিত আম বাগানের মুকুলগুলো রোহিঙ্গা ছেলে জরে ফেলার ঘটনা নিয়ে রোহিঙ্গা ও বাগান মালিকের সাথে তর্ক-বির্তক হয় সোমবার সকালে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৯টার দিকে লম্বাশিয়া ক্যাম্পের হেড মাঝি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে নুরুল আলম, শেড মাঝি ছৈয়দ কাশিমসহ একদল রোহিঙ্গা তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দিলদার মিয়াকে অপহরন পূর্বক তাদের আস্তানায় নিয়ে যায়। পরে তার হাত পা বেধেঁ পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে তার স্বজন ও গ্রামবাসী জাহাঙ্গীরের আস্তানায় হানা দিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় দিলদার মিয়াকে উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ ওসি (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this post

scroll to top