সংবাদ শিরোনাম

উখিয়ার সোনার পাড়ার ইয়াবা মঞ্জুর ফের বেপরোয়া

it.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার সোনার পাড়া এলাকার মঞ্জুর সিন্ডিকেট ফের বেপরোয়া হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিন ও এলাকার বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামের মৃত হাজী ইসলামের ছেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ ইয়াবা কারবারী মঞ্জুর আলম প্রকাশ ইয়াবা মঞ্জুর সম্প্রতি জেলা ডিবি পুলিশের তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত (ওসি) বর্তমান উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রামু উপজেলার পেচারদ্বীপ মারমেট ইকো – রিসোর্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবার চালানসহ মঞ্জুর ও তার সহযোগী মারমেটের কর্মচারী দিদার প্রকাশ ইয়াবা দিলুকে গ্রেপ্তার করে মাদক দ্রব্য আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরন করে। দীর্ঘ এক বছর পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ইয়াবা জগতের কিং মঞ্জুর আলম বৃহত্তর সিন্ডিকেট তৈরি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড়িহাড়ি ইয়াবা পাচার করে রাতারাতি কোটিকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দিনদিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
নাম না বলা শর্তে স্থানীয়রা জানান, আজ থেকে ৩দিন আগে তার সিন্ডিকেটের নুরুল ইসলামের ছেলে ইমাম হোসেন, ছৈয়দ মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেনসহ শীর্ষ বিপুল পরিমান ইয়াবার চালান কোটবাজার এলাকায় পৌছলে ও এলাকার লোকজন ইয়াবা বহনের গাড়ী গতিরোধ করলে এসময় উক্ত ইয়াবার চালান নিয়ে লংস্কা কান্ডেরমত ঘটনা সংঘটিত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দেশ ও দেশের যুবসমাজ ধ্বংসকারী, এদেশে তাদের স্থান হতে পারে না। তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ইয়াবা মঞ্জুরের নেতৃত্বে বিভিন্ন স্থানে শতাধিক গডফাদারের নেতৃত্বে পুরো উখিয়ায় অন্তত ২০টি সিন্ডিকেট মোটা দাগের ইয়াবা লেনদেন ও পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, বর্তমান ভয়াবহ জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যেসব কিশোর, যুবক জড়িয়ে পড়েছে, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্ত ও মাদক পাচারের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মতে, কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, তাদের সম্পর্কে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল মনসুর, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়া আসা হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top