উখিয়ার সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবাকারবারীরা আতাউল্লাহ ফের বেপরোয়া

III.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে পুলিশ ও বিজিবির সাড়াশি মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত ও ইয়াবাকারবারীদের সাথে বন্ধুকযুদ্ধে একের পর এক কারবারী নিহত হলেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার।
সূত্রমতে, ইয়াবা মামলায় জেল ফেরত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত উখিয়ার খয়রাতি পাড়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে আন্ডার ওয়াল্ড ইয়াবা মাফিয়া নামে খ্যাত আতাউল্লাহ ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে। সূত্র মতে আরো জানা যায়, শীর্ষ ইয়াবাডন আতাউল্লাহ ও তার ছোট ভাই একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট তৈরি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে দিবারাত্রি পাচার করছে হাড়ি হাড়ি ইয়াবার চালান। হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দেশ ও দেশের যুবসমাজ ধ্বংসকারী, এদেশে তাদের স্থান হতে পারে না বলে দাবী করেন। তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনাও করেন।
বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রে ও এলাকাবাসীর তথ্যমতে উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িত শীর্ষরা সাগর ও সড়ক পথে হাড়ি হাড়ি ইয়াবা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিণত হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে শতাধিক গডফাদারের নেতৃত্বে পুরো উখিয়ায় অন্তত ২০টি সিন্ডিকেট মোটা দাগের ইয়াবা লেনদেন ও পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, বর্তমান ভয়াবহ জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যেসব কিশোর, যুবক জড়িয়ে পড়েছে, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্ত ও মাদক পাচারের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মতে, কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, তাদের সম্পর্কে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল মনসুর, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়া আসা হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top