উখিয়ার আবছার ঔষুধ কোম্পানির আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা

08.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

জেলার সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগ সংস্থার কঠোর নজরধারী থাকলেও থেমে নেই মাদক পাচার। চতুর মাদককারবারীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার সাইনবোর্ড, ঔষুধ কোম্পানির ব্যবসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানের চাকুরীতে অর্ন্তভোক্ত হয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চালিয়ে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা। কিন্তু দেখার কেই নেই।
সূত্রমতে, সীমান্তের পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী রহমতেরবিল গ্রামের কলিমুল্লাহ বলির ছেলে এক সময়ের কাঠ মিস্ত্রি মাদক মামলাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী কামাল উদ্দিন প্রকাশ ইয়াবা কামাল ও তার চেইন অব কমান্ড রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া গ্রামে বসবাসরত নুরুল আবছার সময়ের ব্যবধানে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে আজ শূণ্যে থেকে কোটিপতি। সম্প্রতি ড্রাক ঔষুধ কোম্পানির এস এর থাকাকালিন সময়ে আবছার ইয়াবা কামালের বিপুল পরিমান ইয়াবার চালান নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়ে দীর্ঘ দিন জেল হাজত শেষে জামিনেমুক্ত হয়ে ফের ইয়াবা কামালের সাথে বৃহত্তর সিন্ডিকেট গড়ে তোলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড়িহাড়ি ইয়াবা পাচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে সে ওয়ান ফার্মা কোম্পানির উখিয়াস্থ এমপিও হিসাবে কর্মরত আছে বলেও জানা গেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলরা বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দেশ ও দেশের যুবসমাজ ধ্বংসকারী, এদেশে তাদের স্থান হতে পারে না। তাকে গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনাও করেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন স্থানে শতাধিক গডফাদারের নেতৃত্বে পুরো উখিয়ায় অন্তত ২০টি সিন্ডিকেট মোটা দাগের ইয়াবা লেনদেন ও পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রমতে, রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় লালিত ইয়াবা কামাল পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে দিবারাত্রি সীমান্তের মৎসঘের, রহমতেরবিলস্থ সাইক্লোন সেন্টার, তাজনিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওইখান থেকে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে তার রমরমা ইয়াবা ব্যবসা। সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, বর্তমান ভয়াবহ জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যেসব কিশোর, যুবক জড়িয়ে পড়েছে, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্ত ও মাদক পাচারের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মতে, কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, তাদের সম্পর্কে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল মনসুর, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়া আসা হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top