র‌্যাবের অভিযানে বিপুল গোলাবারুদসহ ২ অস্ত্র ব্যবসায়ি আটক

Rab-01_1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

ভারত থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত পথ ব্যবহার করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ আনছে একটি চক্র। পাহাড়ের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ভারত থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাঙামাটি জেলার বরকল সীমান্ত দিয়ে এনে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটের সদস্যরা।
বিষয়টি নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে অবহিত হয়ে রাঙামাটি জেলার ভারত সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নজরদারি শুরু করে বিশেষায়িত বাহিনী র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাব এর সদস্যরা। যার ধারাবাহিকতায় শুক্রবার মধ্যরাতে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীস্থ মুসলিম পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান তাজা গুলিসহ দুই পেশাদার অস্ত্র ব্যবসায়িকে আটক করেছে র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা। আটককৃতরা হলো- মো: হোসেন, পিতা: মৃত: মফিজুর রহমান, সাং-বহদ্দার হাট, চান্দগাঁও, অপরজন মমতাজ আহাম্মেদ(৬২), পিতা: মৃত: কালা মিয়া, সাং- খুরসকুল, কক্সবাজার সদর। আটককৃতদের কাছ থেকে ৭.৬৫ এমএম পিস্তলের ৩৮০ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫ রাউন্ড শটগানের গুলি ও শর্টগানের গুলি তৈরিতে ব্যবহৃত ১০৯টি সীসা বল উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব প্রদানকারি র‌্যাব-৭ এর এডিশনাল এসপি কাজী মো. তারেক আজিজ। তিনি জানান, আটককৃতরা রাঙামাটির বরকলের সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এসব সংগ্রহ করে রাঙামাটি হয়ে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছিলো। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি অবহিত হওয়া মাত্রই রাঙামাটি শহরের পশ্চিম মুসলিম পাড়াস্থ সিরাজ স্টোরের সামনে বিশেষ চেকপোষ্ট বসিয়ে মধ্যরাতে তাদের আটক করি। র‌্যাব-৭ এর এই কর্মকর্তা আরো জানান, আটককৃত দু’জনের মধ্যে একজন পেশাদার অস্ত্র ব্যবসায়ি মোঃ হোসেন। চট্টগ্রাম শহরের আন্দরকিল্লায় তার নিজের একটি বৈধ অস্ত্র বিক্রির দোকান রয়েছে। বৈধ অস্ত্রের দোকানের আড়ালে উক্ত ব্যক্তি অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা করতো বলেও জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর এএসপি কাজী মো. তারেক আজিজ। এই ঘটনার সাথে জড়িত আরো একজন বরকলের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাব-৭। তদন্তের স্বার্থে তার প্রকাশ করা যাচ্ছেনা যেকোনো সময় সে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হবে বলেও জানাগেছে। আটককৃতরা এর আগেও অবৈধভাবে রাঙামাটির সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অস্ত্র-গোলাবাুরদ এনে বিভিন্ন সন্ত্রাসীর কাছে সরবরাহ করেছিলো।

Share this post

scroll to top