সেন্টমার্টিনে ট্রলার ডুবির ঘটনায় উখিয়ার শীর্ষ পাচারকারীরা আতংকে

66666666.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

১৩৮ যাত্রী নিয়ে গত মঙ্গলবার সাগর পথে অবৈধ ভাবে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে সেন্টমার্টিনের অদুরে পাথরের সাথে ধাক্কা লেগে ট্রলার ডুবির ঘটনায় রোববার পর্যন্ত ১৮ জনের লাশ ও ৭৩ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোষ্টগার্ড সেন্টমার্টিন ষ্টেশনের কমান্ডার লে: নাঈমু উল হক।
রোববার উখিয়াস্থ উপক’লীয় এলাকা ঘুরে বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে সাগর পথে অবৈধ ভাবে মালয়েশিয়া পাচারকালে সেন্টমার্টিন এলাকায় ট্রলার ডুবির ঘটনায় উপক’লীয় এলাকার আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ মানব পাচারকারী গ্রেপ্তার আতংকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বনে জঙ্গলে আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা গেছে। উক্ত মানব পাচারকারীরা হচ্ছে, উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছেপটখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান সিকদারের ছেলে ফয়েজ প্রকাশ ফয়েজ দালাল ও তার চেইন অব কমান্ড একই গ্রামের শরিফ মাষ্টারের ছেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টেন্ডার বিভিন্ন ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে সাফ কন্ট্রাকে কাজ নেওয়ার অজুহাতে কৌশলে শতশত রোহিঙ্গা যুবক যুবতীদের অল্প খরচে মালয়েশিয়া পাচারের মেশিন নিয়ে মাঠে আবুল কালাম প্রকাশ কালাম দালাল, উত্তর সোনার পাড়া গ্রামের কাদির হোসনের ছেলে কালা জমির, ম্যাডাম বেবী, একই ইউনিয়নের ডেইল পাড়া ঘোনার মোড় এলাকার লেং শামশুর ছেলে শাহাজান দালাল, সোনাইছড়ি গ্রামের রুস্তম আলী, একই গ্রামের আব্দুল্লাহ, ছিদ্দিক আহম্মদ, মনখালী গ্রামের ফেসুক্রুরী, সোনাইছড়ি গ্রামের মজিবু হকসহ শীর্ষরা চরম আতংকে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা মাদক নিমূলে ব্যস্ততার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মানব পাচারকারীরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী, অতিশিঘ্রই মানব পাচারের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা না হলে এলাকার উঠতি বয়সী যুবক, যুবতী ও ছাত্র-ছাত্রীদের রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এব্যাপারে উখিয়া থানার নবাগত ওসি মর্জিনা আক্তার মর্জিয়া বলেন, অবৈধ ভাবে মানব পাচারের বিষয়টি একটি জঘন্য অপরাধ, এ জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবেনা বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top