মনখালীতে ৯ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে মেম্বারসহ আটক ৪

pic-ukhiya-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার ইনানী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের আতংক নামে পরিচিত সিদ্ধার্থ সাহার নেতৃত্বে ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুছা মেম্বারের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯ হাজার পিস ইয়াবাসহ মুছা মেম্বার ৯ নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আবুল বশর, ৮ নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আবুল মনজুর ও মাদারবনিয়া গ্রামের কেজায়ং চাকমার ছেলে সুমন চাকমাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ইয়াবা মেম্বারসহ আটককৃতদের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার সাধারন মানুষ ও ভুক্তভোগীদের মাঝে স্বস্তির নিঃ শ^াস ফিরে আসে এবং কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুলিশি উপস্থিতি ও অভিযান টের পেয়ে উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িত ছেপটখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান সিকদারের ছেলে আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকা শীর্ষ মানব পাচারকারী ও মুছা মেম্বারের চেইন অব কমান্ড ফয়েজ দালাল, মুছা মেম্বারের বড় ছেলে মুহি উদ্দিন ও মাদারবনিয়া গ্রামের হাজী কবির আহম্মদের ছেলে মন্সুর আলমসহ শীর্ষরা অল্পের জন্য গ্রেপ্তারের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় আবুল বশর জানান, মেম্বার মুছা, দুই চৌকিদার আবুল বশর, আবুল মন্জুর ও ফয়েজ দালালসহ শীর্ষরা একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট তৈরি সাগর ও সড়ক পথে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে হাড়িহাড়ি ইয়াবা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। উক্ত ইয়াবার কালো টাকার প্রভাব দেখিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম, প্রকাশ্যে মানব পাচারেরমত জঘন্য অপরাধ, নারী নির্যাতন, শালিস বানিজ্য, যৌন হয়রানিসহ নানা অপরাধ জনক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল এ সিন্ডিকেট। পাপ বাপকে ও ছাড়ে না? অবশেষে পাপের মাসুল দিতে হল। শুধু তাই নয়, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসবে অবৈধ অস্ত্রের জনজনানীসহ নানা গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য।
এব্যাপারে ইনানী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিদ্ধার্থ সাহা ৯ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে মুছা মেম্বারসহ ৪জন আটকের সত্যতা স্বীকার করেন তিনি।

Share this post

scroll to top