সীমান্তের শীর্ষরা আতংকে ?

on-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়া সীমান্তের কারবারীরা লকডাউন না মেনে বিকল্প সড়ক ও কৌশলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করছে লাখ লাখ পিস ইয়াবা। ধ্বংস হচ্ছে দেশ তথা দেশের ছাত্র ও যুবসমাজ। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটিকোটি টাকা। উক্ত ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় দিয়ে নির্মান করে যাচ্ছে একের  পর এক আলিশান স্বর্ণকমল। যা দেশের এমপি মন্ত্রীদের পক্ষেও এ ধরনের স্বর্ণকমল নির্মান করা কখনো সম্ভব হবেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সচেতন মহল। যার প্রমান উখিয়ার রাজাপালং মহুরী পাড়া এলাকার কারবারী।

গত রোববার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উখিয়া থানা পুলিশের এস আই আলিমুর রেজার নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুখালী ক্যাম্প ১১ তে অভিযান চালিয়ে মৃত কবির আহম্মদের ছেলে শওকত আলীকে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ আটক করে।পরে তার তথ্যমতে, বালুখালী মরাগাছতলা এলাকায় অভিযান চলাকালীন সময় কারবারীরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ করে গুলি করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধে শওকত আলী নিহত হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি বন্ধুক, গুলি, ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৫জনকে আটক করেছে পুলিশ। উক্ত ঘটনায় মাদক দ্রব্য আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মর্জিনা আক্তার ।

অস্ত্র বিপুল পরিমান ইয়াবা ও  শওকত আলী নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উক্ত ইয়াবার সাথে জড়িত ও সীমান্তের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের জনক থাইংখালী রহমতেরবিল গ্রামের কলিমুল্লাহ বলির ছেলে কামাল উদ্দিন, তার ছোট ভাই জেল ফেরত জামাল উদ্দিন, উখিয়া টিএন্ডটি লম্বাঘোনা গ্রামের মৃত ফকির আহম্মদের ছেলে জেল ফেরত মাহমুদুল করিম খোকা। সে জেল থেকে বের হয়ে বান্দরবানে স্ব-পরিবার অবস্থান করলে ও তার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছেন বড় ভােই সাহাব উদ্দিন। সাহব উদ্দিন মাদক ব্যবসার আর্শিবাদে আজ কোটি কোটি টাকার মালিক । উখিয়া কলেজের সামান্য বেতনের চাকুরীর আড়াঁলে এত কিছু কি ভাবে ?। বালুখালীর লেবার নুরুর ছেলে মাছন ড্রাইভার, দোছুড়ি গ্রামের হাজী আলী আহম্মদের ছেলে মাহমুদুল হক, রহমতেরবিল গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে আব্দুর রহিম, একই এলাকার কামাল মিয়াজীর ছেলে চট্রগ্রাম ও মরিচ্যা চেকপোষ্টে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ আটক হওয়া সেই আলোচিত ইয়াবা গডফাদার বাশিঁ, টিএন্ডটি শীলের ছড়া গ্রামের সোলতান ড্রাইভারের ছেলে থাইংখালী নুর বানু মেম্বারের ছেলে সোহেল সিন্ডিকেটের অন্যতম গডফাদার আপেল ও রুবেল, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পূর্ব  পাড়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে আত্নসর্ম্পনকৃত ইয়াবা কারবারী ফরিদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম, রবি আলম, দুবাই পলাতক মোঃ আলম ও বন্দুকযুদ্ধে নিহত মুফিজ আলমদের জামাতা হোছন আহম্মদের ছেলে একাধিক মাদক মামলার আসামী রবিউল আলম উল্লেখিত গডফাদারদের সমস্ত মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে বলে জানা গেছে। এব্যাপারে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ  মর্জিনা আক্তার বলে  হয়তো ইয়াবা ব্যবসা ছাড়তে হবে নইতো মরতে হবে ? কারবারীদের সাথে কোন আপোষ নেই বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top