থাইংখালী সীমান্তের ইয়াবা ব্যবসা দুই ভাইয়ের দখলে

PIC-UKHIYA.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়া পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী সীমান্তের ইয়াবা ব্যবসা দুই ভাইয়ের দখলে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতেরবিল গ্রামের হতদরিদ্র মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলের মধ্যে ফারুক আহম্মদ পরিবারের হাল ধরতে চট্রগ্রামস্থ কালুরঘাট এলাকার মাছ ধরার বোট নির্মানের কাজে নির্মান শ্রমিক হিসাবে কাজ করত। অপর ভাই জানে আলম সীমান্তের নাফনদী খালে মাছ আহরণ করে তা বাজারে বিক্রি করে হতদরিদ্র পরিবারটি চালিয়ে আসত বলে জানা গেছে। সময়ের ব্যবধানে দুই ভাই মৎস্য আহরণ ও শ্রমিকের কাজ ছেড়ে দিয়ে জড়িয়ে পড়েন মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে।
সূত্রমতে জানা গেছে, ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে দুই এলাকায় একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট গড়ে তোলে গুরুত্বপূর্ণ শহর ঢাকা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইয়াবা পাচার করে ইয়াবার কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলে রাতারাতি অঢল সম্পদের মালিক বনে গেলেও দেখার কেউ নেই।
সম্প্রতি বিপুল পরিমান ইয়াবার চালান নিয়ে ফারুক আহম্মদ আটক হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের ইয়াবা পাচারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, ইয়াবা ফারুক ও জানে আলমের অত্যাচার ও নির্যাতনে এলাকার সাধারন মানুষ জিম্মি দষায় জীবন যাপন করছে বলেও একাধিক ভুক্তভোগীরা প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
আজ তারা ইয়াবার বদৌলতে শূণ্যে থেকে কোটিপতিসহ সমাজে বিখ্যাত ইয়াবা পরিবার হিসাবে সুনাম অর্জন করার পাশাপাশি মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ তাদের আইনের আওতায় আনছেনা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয় সচেতন মহলরা আরো বলেন, উখিয়া – টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ফারুক ও জানে আলম, তারা দুই ভাই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে থাইংখালী সীমান্তের ইয়াবা বাজার উল্লেখিত দুই ভাইয়ের দখলে বলে জানা গেছে। তাই অতি শিঘ্রই তাদেরকে গ্রেপ্তার পূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ১৫ কক্সবাজারের হস্তক্ষেপ জরুরী বলে তারা দাবী করেন।

Share this post

scroll to top