সংবাদ শিরোনাম
উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ বালি উত্তোলনের সরঞ্জমাধি উদ্ধারউখিয়ার ডেইলপাড়া করইবনিয়া এলাকা ইয়াবার জোওয়ারে ভাসছেউখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা ডন মীর আহম্মদ অধরাহাজীর পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী মীর আহম্মদকে ধরিয়ে দিনউখিয়ার নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ…থাইংখালী বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগউখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মাটিবর্তী ডাম্পার গাড়ী আটকজালিয়া পালংয়ে ছিনতাইকারীদের হাতে নিঃশ্ব হলেন খামার ব্যবসায়ী – আহত…উখিয়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারী আলী আকবর বিদেশী মদসহ আটকউখিয়ার মুছারখোলা বিট কর্মকর্তা আবছারের নেতৃত্বে পাহাড় কাটা ও বালি…

সাহেদের চাল কেউ বুঝতে পারিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

asaduzzaman-khan-kamal-2018.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

রিজেন্ট হাসপাতালে আগ বাড়িয়ে চিকিৎসার প্রস্তাব দেওয়াটা যে প্রতারক মো. সাহেদের চাল ছিল তা কেউ ধরতে পারিনি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।আজ বুধবার সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনার পর নিজের বাড়িতে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক হাসপাতাল খুঁজছিলাম। কেউ তখন দেবেন কি দেবেন না- এরকম একটা ভয়ের প্রসঙ্গ এসেছিল সামনে। সে (সাহেদ) তখন এগিয়ে এসেছিল, এটা যে একটা তার চাল ছিল; সেটাতো অনেকেই তখন বুঝতে পারিনি। আমিও তার হাসপাতালে ৪/৫ জন রোগী পাঠিয়েছিলাম। এটা আমার এখনো মনে পড়ে।’

সাহেদ সবসময় প্রতারণার ফাঁকফোকর তৈরিতে লেগে থাকত এবং তার জন্য ‘টেলিভিশনের টক-শোতে’ গিয়ে নিজের একটা ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছিল বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন ‘আপনারা এখনই বলবেন, অনেকের সঙ্গে তার ফটো রয়েছে, অনেকের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই ধরনের … তিনি সব সময় নিয়ে থাকেন এবং এই পর্যন্ত এসেছেন।’আসাদুজ্জামান খান জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সবাই যখন উদ্বিগ্ন, ঠিক সেই সময় মিথ্যা সার্টিফিকেট দিয়ে যে প্রতারণা সাহেদ করেছেন, তাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।

তিনি বলনে ‘এটা সত্যিই দুঃখজনক এবং আমরা মনে করি, প্রকৃত তদন্তের মাধ্যমে বিচারকের কাছে পাঠিয়ে দিব। তার যেন উপযুক্ত শাস্তি হয়, সেটাই আমরা ব্যবস্থা করব।’

কোন ‘দুষ্কৃতিকারী’ শেখ হাসিনার আমলে পার পাচ্ছে না দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেদিন আপনারা (সাংবাদিক) জানতে চেয়েছিলেন সাহেদকে ধরা হবে কি না। আমি জোর দিয়ে বলেছিলাম, যেই হোক তাকে ধরা হবে।’

মহামারির মধ্যে চিকিৎসার নামে প্রতারণা আর জালিয়াতির মামলায় এক সপ্তাহ ধরে পলাতক রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পরিচিত আধা-পাকা চুলে কলপ দিয়েছেন ও গোঁফ ছোট করছেন কিন্তু তারপরও ধরা পড়লেন।

 

Share this post

scroll to top