পালংখালীর বটতলীতে রক্তক্ষয় সংঘর্ষের আশংখ্যা

pic-ukhiya-1-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার ক্রাইম জোন পালংখালী সীমান্তের বটতলীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে রক্তক্ষয় সংঘর্ষের আশংখ্যা দেখা দিয়েছে। ১৪ জুলাই সকাল ৯টায় দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও কেউ হতাহত হয়নি বলে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সরজমিন ঘটনাস্থল ও বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বটতলী গ্রামের মৃত গোলাম কবিরের ছেলে জাফর কামালের পালংখালী মৌজার সৃজিত বিএস খতিয়ান নং- ১৪৩১, বিএস দাগ নং- ২১৩৬, ২০৪৯ দাগের আন্দর মোট জমি ০.৪২৯২ একর। তৎমধ্যে বিএস২১৩৬ দাগের চৌহদ্দী ও চকবন্দে ১২.৫৭ শতক জমি। বিএস ২০৪৯ দাগের চৌহদ্দী ও চকবন্দে ০.১৫ শতকসহ ০.৪২৯২ জমি গুলো ক্রয় করে জাফর কামাল দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল ও চাষাবাদ করে আসছিল বলে জানা গেছে। হঠাৎ জমি জমার মূল্যে বেড়ে যাওয়ার ফলে ও শক্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে একই এলাকার ইসহাক চৌধুরী ও তার ছেলে সোহেল প্রকাশ জয়নালসহ শীর্ষরা ১৪ জুলাই সকালে ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে জমির মালিক জাফর কামাল ও তার পরিবারকে হত্যার উদ্দেশ্য জোর পূর্বক ট্র্যাক্টার গাড়ী চালিয়ে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টার পাশাপাশি প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেয় বলে ও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জাফর কামাল।
সূত্রমতে আরো জানা গেছে, উক্ত অস্ত্রের মহড়ার খবর সর্বত্রে ছড়িয়ে পড়লে, দ্রুত ঘটনাস্থলে পালংখালী সীমান্তের বর্ডার গার্ড বিজিবির একটি টহল পার্টি ইসহাক চৌধুরীর বাড়ীতে দফায় দফায় অভিযান চালালেও জয়নাল পালিয়ে যাওয়ার কারনে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। উক্ত ঘটনার পর থেকে বটতলী এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
ভুক্তভোগী জাফর কামাল জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ইসহাক চৌধুরী ও জয়নাল বাহিনীর প্রধান জয়নাল আমার ক্রয়কৃত ও ভোগদখলীয় জমিটি কেড়ে নেওয়ার জন্য আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রতিনিয়ত হত্যার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এব্যাপারে গত ১২ ফ্রেব্রুয়ারী আমি বাদী হয়ে ইসহাক চৌধুরী ও তার ছেলে জয়নাল বাহিনীর জন্য উখিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী লিপিবদ্ধ করি। যার ডায়েরী নং- ১০০৪। এর পরে তাদের জন্য উখিয়া থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও উক্ত সন্ত্রাসীরা থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এ তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। তাই অতি শিঘ্রই উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারপূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলা পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ১৫ এর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Share this post

scroll to top