যোগদানের পরপরই যে কারণে সরানো হলো দুই ওসিকে

resize-350x250x0image-229724.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের মৃত্যুর পর কক্সবাজারের জেলা পুলিশে ঘটে গেছে অনেক ঘটনা। পুলিশেও দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। সাসপেন্ড হয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। সিনহা হত্যা মামলায় আসামি হয়ে তিনি এখন রিমান্ডে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন ওসি আবুল ফয়সাল। যোগদানের ১১ দিনের মাথায় তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলি করা হয়েছে কক্সবাজার সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজাহান কবিরকেও। তার পদে যোগদান করেছিলেন একই থানার ওসি তদন্ত মো. খায়রুজ্জামান। দায়িত্ব গ্রহণের তিন দিনের মাথায় তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর পরই কেন দুই ওসি বদলি হলেন তা নিয়ে চলছে জল্পনাকল্পনা।

সংশ্নিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম টেকনাফ মডেল থানার সিসিটিভি ফুটেজকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মনে করেছিলেন। ৩১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ পেতে তিনি আদালতে আবেদন করেন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি ১৮ আগস্ট সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে যান। কিন্তু তিনি সেই সিসিটিভি ফুটেজ পাননি। টেকনাফ মডেল থানায় সদ্য যোগদান করা ওসি আবুল ফয়সাল তাকে লিখিতভাবে জানান, সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নষ্ট থাকায় ফুটেজ দেওয়া যাচ্ছে না।

র‌্যাবের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা ধারণা করেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পর্শকাতর বিষয় থাকায় তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ না পাওয়ার বিষয়টি আইও তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আদালতকে অবহিত করেন। ৯ আগস্ট টেকনাফ মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেন আবুল ফয়সাল।

Share this post

scroll to top