আর কত নারী ধর্ষণ করলে ধর্ষক মোসলিমকে আটক করবে পুলিশ?

0h.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার উপক’লীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের উত্তর সোনার পাড়া গ্রামের মৃত মকতুল হোসনের ছেলে এলাকার চিহ্নিত মানব পাচারকারী ও অসংখ্য নারী ধর্ষণকারীদের অন্যতম হোতা একাধিক মামলার আসামী মোসলিম উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের ঘাটঘর পাড়া গ্রামের আব্দুস শুক্কুরের সুন্দরী যুবতী কন্যা হামিদা বেগমের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক চলে আসছিল। সর্ম্পকের এক পর্যায়ে লম্পট মোসলিম উদ্দিন সুন্দরী কন্যা হামিদাকে মিথ্যা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে বলে ভুক্তভোগী হামিদা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সরজমিন ও ঘটনাস্থল ঘুরে জানা গেছে, সম্প্রতি উক্ত ঘটনা নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য,চৌকিদার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা একাধিকবার বৈঠকে বসেও লম্পট মোসলিম উদ্দিনকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেনি। তারই সূত্র ধরে ১৭ সেপ্টম্বর রাত ৮ টার দিকে লম্পট মোসলিম উদ্দিনের কথামত হামিদা বেগম তার বাড়ীতে আশ্রয় নিলে মোসলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে লোকজন তাকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে চোঁখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। শোর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে লম্পট মোসলিমের কবল থেকে আহতকে উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতকে আশংকাজনক দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন বলে জানা গেছে।
সচেতন মহলের অভিমত এভাবে আর কত নারীকে বিয়ের আশ^াস দিয়ে ধর্ষণ করলে লম্পট মোসলিম উদ্দিনকে পুলিশ আটক করবে? তাই অতি শিঘ্রই লম্পট মোসলিমকে গ্রেপ্তারপূর্বক কঠিন শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার নবাগত পুলিশ সুপার ও র‌্যাব ১৫ এর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যতায় তার কবল থেকে এলাকার উঠতি বয়সী সুন্দরী যুবতীদের রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ভুক্তভোগী হামিদা বেগম বাদী হয়ে ৩ জনকে প্রধান আসামী করে উখিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন বলে তিনি জানান। এব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আকতার মর্জির মুটোফোনে বার বার ফোন করার পরেও মুটোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Share this post

scroll to top