উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা ক্যাম্প বাজারের খাস কালেকশনের নামে অপপ্রচার

images.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

উখিয়ার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা রোহিঙ্গা বাজার থেকে খাস কালেকশনের নামে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিন রোহিঙ্গা বাজার ঘুরে ও একাধিক রোহিঙ্গার সাথে কথা বলে জানা গেছে, ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা আইনশৃংখলা সমন্বয় সভায় উপজেলার ৬ টি রোহিঙ্গা বাজারকে চিহ্নিত করে খাস কালেকশনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০ সেপ্টেম্বর সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান ৬ টি ক্যাম্প বাজারে খাস কালেকশন করার জন্য ৬টি কমিটি করে দেয়। উক্ত কমিটি বাজার থেকে খাস কালেকশন না করার আগেই ক্যাম্প ভিত্তিক কিছু উগ্রুবাদী রোহিঙ্গা জনগোষ্টীরা বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায় করার পাশাপাশি কৌশলে সিন্ডিকেটের কিছু রোহিঙ্গাদের বক্তব্য ধারণ করে স্থানীয়দেরকে জড়িয়ে ভিডিও ভাইরাল করে স্থানীয় লোকজন ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
জামতলী ক্যাম্পের ডিÑব্লকের হেডমাঝি রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আমাদের ক্যাম্প বাজারে স্থানীয় কোন লোক টোল আদায় বা চাঁদাবাজী করে নাই। পালংখালী গয়ালমারা এমএসএফ হাসপাতালে কর্মরত রোহিঙ্গা ইসলাম রোহিঙ্গা যুবকদেরকে ফুসলিয়ে এ ভিডিও ধারণ করেছে।
ক্যাম্প ১৬ এর শেড মাঝি ছৈয়দ বলেন, আমাদের ক্যাম্প বাজার থেকে স্থানীয় কোন লোকজন চাঁদাবাজী বা টোল আদায় করে নাই। তবে রোহিঙ্গা ইসলাম নকশা তৈরি করে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের মাঝে একটি সংঘাত সৃষ্টি করার জন্য ও সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করার জন্য এ পায়তারা চালাচ্ছে বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভুমি) আমিমুল এহসান খান বলেন, রোহিঙ্গা আসার পর থেকে ক্যাম্প বাজার গুলো সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাহিরে ছিল। তাই বাজার নিয়ে অনেক সময় অনেক ঘটনাও সংঘটিত হয়েছে। তাই রোহিঙ্গা বাজার জামতলী শফি উল্লাহ কাটা বাজার,তাজনিমারখোল কাঠালতলা বাজার, ময়নারঘোনা বাজার, কুতুপালং নৌকার মাঠ বাজার, লম্বাশিয়া বাজার, মুছড়া উঠনি বাজারসহ ৬টি বাজারকে খাস কালেকশনে আনা হয়েছে। খুব শিঘ্রই খাস কালেকশনের রশিদ বই দেওয়া হবে এবং টোল আদায় করে উপজেলা হাটবাজার তহবিলে জমা দিতে হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top